নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: হোটেলে কোনও অপরিচিত সন্দেহজনক ব্যক্তি এলেই খবর দিতে হবে স্থানীয় থানাকে। ফরাক্কা থানার এই অভিনব নিয়মে একের পর এক দুষ্কৃতী দলকে জালে তুলতে পারছে পুলিস। শুধু হোটেল থেকেই গত নয় মাসে প্রায় ৩০ জন দুষ্কৃতীকে পাকড়াও করেছে পুলিস। ডাকাতির চেষ্টা ও মাদক মামলা সহ দশটি মামলা রুজু হয়েছে থানায়। একের পর এক কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করে শ্রীঘরে পাঠিয়েছে পুলিস।
Advertisement
ফরাক্কা এলাকার একদিকে ঝাড়খণ্ড রাজ্য, অপরদিকে মালদা জেলা। ভিনরাজ্য ও ভিন জেলা থেকে মুর্শিদাবাদ জেলায় ঢোকার জন্য ফরাক্কা থানা এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান। জাতীয় সড়ক ধরে দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গে যাওয়ার জন্য এই থানা এলাকাই একমাত্র করিডর। দুষ্কৃতীরা এই থানার উপর দিয়েই ভিন জেলা ও ভিনরাজ্যে পাড়ি দিতে পারে। নিউ ফরাক্কা জংশন রেল স্টেশনকেও ব্যবহার করে দুষ্কৃতীরা। তাই পুলিস রীতিমতো ওত পেতে থাকে এলাকায়। থানা এলাকায় হোটেলগুলিতে মাঝেমধ্যেই চলে অভিযান। তবে হোটেলে নতুন কোনও সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখলে দ্রুত থানায় জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ফারাক্কা থানার তরফ থেকে।
এমনকী শুক্রবার সকালে হাওড়ার বেলুড়ের দুই ব্যবসায়ী ভাইকে অপহরণ করে নিউ ফরাক্কার একটি হোটেলে আটকে রেখেছিল পাঁচ দুষ্কৃতী। ব্যবসায়ীর পরিবারের কাছ থেকে সাড়ে তিন কোটি টাকা মুক্তিপণও দাবি করেছিল তারা। কিন্তু হোটেলের কর্মচারীরা ওই পাঁচজন দুষ্কৃতীর আচরণ দেখে থানায় খবর দেন। পুলিস গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও করে পাঁচ দুষ্কৃতীকে। তারপর থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই পুলিস গোটা ঘটনার কথা জানতে পারে।
ফারাক্কার এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ফরাক্কা থানার আইসি অভিনব এই উদ্যোগ নিয়েছেন। এই থানা এলাকার প্রত্যেকটি হোটেল মালিককে বলা হয়েছে, কোনও অতিথির আচরণ সন্দেহজনক হলে তৎক্ষণাৎ থানায় খবর দিতে। এদিনও বেলুড়ের দুই ব্যবসায়ীকে নিয়ে যখন দুষ্কৃতীরা হোটেলে উঠেছিল, তখন হোটেলের কর্মচারীরা থানায় খবর দেন। তারপরেই পুলিস গিয়ে তাদের পাকড়াও করে গোটা কিডন্যাপিংয়ের ঘটনা জানতে পারে। এই নিয়ে গত নয় মাসে প্রায় ৩০ জন দুষ্কৃতীকে পাকড়াও করা হয়েছে। অন্তত ১০টি মামলা রুজু হয়েছে। এই দুষ্কৃতীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মাদক কারবারি এবং ডাকাত দলের সদস্য রয়েছে।
এমনকী শুক্রবার সকালে হাওড়ার বেলুড়ের দুই ব্যবসায়ী ভাইকে অপহরণ করে নিউ ফরাক্কার একটি হোটেলে আটকে রেখেছিল পাঁচ দুষ্কৃতী। ব্যবসায়ীর পরিবারের কাছ থেকে সাড়ে তিন কোটি টাকা মুক্তিপণও দাবি করেছিল তারা। কিন্তু হোটেলের কর্মচারীরা ওই পাঁচজন দুষ্কৃতীর আচরণ দেখে থানায় খবর দেন। পুলিস গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও করে পাঁচ দুষ্কৃতীকে। তারপর থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই পুলিস গোটা ঘটনার কথা জানতে পারে।
ফারাক্কার এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ফরাক্কা থানার আইসি অভিনব এই উদ্যোগ নিয়েছেন। এই থানা এলাকার প্রত্যেকটি হোটেল মালিককে বলা হয়েছে, কোনও অতিথির আচরণ সন্দেহজনক হলে তৎক্ষণাৎ থানায় খবর দিতে। এদিনও বেলুড়ের দুই ব্যবসায়ীকে নিয়ে যখন দুষ্কৃতীরা হোটেলে উঠেছিল, তখন হোটেলের কর্মচারীরা থানায় খবর দেন। তারপরেই পুলিস গিয়ে তাদের পাকড়াও করে গোটা কিডন্যাপিংয়ের ঘটনা জানতে পারে। এই নিয়ে গত নয় মাসে প্রায় ৩০ জন দুষ্কৃতীকে পাকড়াও করা হয়েছে। অন্তত ১০টি মামলা রুজু হয়েছে। এই দুষ্কৃতীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মাদক কারবারি এবং ডাকাত দলের সদস্য রয়েছে।



