সংবাদদাতা, ইসলামপুর: চোপড়ার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক হামিদুল রহমানের দেহরক্ষীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ইসলামপুরের তিস্তাপল্লিতে একটি হোটেলের ঘরে তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিস জানিয়েছে, মৃত সুলতান হুসেন (৫৬) মালদহের পুখুরিয়া থানার সুলতানগছ এলাকার বাসিন্দা। তিনি কনস্টেবল পদে ছিলেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে এক মহিলাকে সঙ্গে নিয়ে হোটেলে ঢুকেছিলেন সুলতান। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সঙ্গে থাকা মহিলা ও হোটেলের কর্মীরা তাঁকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই কনস্টেবলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
হোটেল মালিকের তরফে সুদেব দাস বলেন, বিধায়কের দেহরক্ষী হিসেবে সুলতান আগে থেকেই পরিচিত ছিলেন। এদিন হোটেলে এসে বলেন স্ত্রীকে নিয়ে কিছু কাজে কোর্টে এসেছিলাম। কাজ হয়ে গিয়েছে। এখন একটু বিশ্রাম করব। দু’ঘণ্টার জন্য একটি রুম নিয়েছিলেন তিনি। সেখানে হাল্কা খাওয়াদাওয়ার পর অজ্ঞান হয়ে পড়েন। আমরা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাই। হামিদুল রহমানের অবশ্য বক্তব্য,শরীর ভালো ছিল না। তাই সুলতান সঙ্গে এক পরিচিত মহিলাকে নিয়ে গিয়েছিলেন। হাই ব্লাড প্রেশার থাকায় নিয়মিত ওষুধ খেতেন। ২৪ বছর ধরে তিনি আমার দেহরক্ষী ছিলেন। ইসলামপুর পুলিস জেলার সুপার জবি থমাস বলেন, মৃত কনস্টেবলের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তাঁর সঙ্গে হোটেলে এক মহিলাও ছিলেন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
হোটেল মালিকের তরফে সুদেব দাস বলেন, বিধায়কের দেহরক্ষী হিসেবে সুলতান আগে থেকেই পরিচিত ছিলেন। এদিন হোটেলে এসে বলেন স্ত্রীকে নিয়ে কিছু কাজে কোর্টে এসেছিলাম। কাজ হয়ে গিয়েছে। এখন একটু বিশ্রাম করব। দু’ঘণ্টার জন্য একটি রুম নিয়েছিলেন তিনি। সেখানে হাল্কা খাওয়াদাওয়ার পর অজ্ঞান হয়ে পড়েন। আমরা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাই। হামিদুল রহমানের অবশ্য বক্তব্য,শরীর ভালো ছিল না। তাই সুলতান সঙ্গে এক পরিচিত মহিলাকে নিয়ে গিয়েছিলেন। হাই ব্লাড প্রেশার থাকায় নিয়মিত ওষুধ খেতেন। ২৪ বছর ধরে তিনি আমার দেহরক্ষী ছিলেন। ইসলামপুর পুলিস জেলার সুপার জবি থমাস বলেন, মৃত কনস্টেবলের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তাঁর সঙ্গে হোটেলে এক মহিলাও ছিলেন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।



