সংবাদদাতা, সাঁইথিয়া: সিউড়ির হাটজন বাজার থেকে কোমা সহ একাধিক গ্রামে যাওয়ার রাস্তার বেহাল অবস্থা। পিচের আস্তরণ উঠে বেরিয়ে পড়েছে পাথর। বেহাল রাস্তার কারণে চরম সমস্যায় পড়ছেন পথচারীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পঞ্চায়েতকে বহুবার জানানো হলেও রাস্তা সংস্কারের ব্যাপারে কোনও উদ্যোগই নেওয়া হয়নি। সিউড়ির শহরের হাটজন বাজার থেকে ২নম্বর ব্লকের অন্তর্গত আড্ডা, গাংটে, কোমা, জানুরি, বনশঙ্কা সহ একাধিক গ্রাম যাওয়ার রাস্তার দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থা। সমস্যায় পড়েছেন একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিউড়ির হাটজনবাজার থেকে কোমা, বনশঙ্কা গ্রাম যাওয়ার এই রাস্তাটি সহজ ও অন্যতম রাস্তা হিসেবে বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ ব্যবহার করেন। কিন্তু রাস্তাটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় পিচের আস্তরণ উঠে বেহাল হয়ে পড়েছে। ফলে ভাঙা রাস্তার কারণে প্রায় ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। ভাঙা রাস্তার ফলে রাতের অন্ধকারে এই পথ দিয়ে গাড়ি নিয়ে যাতায়াত করতে প্রচণ্ড সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রতন দাস বলেন, কয়েক বছর ধরেই দেখছি রাস্তাটি বেহাল হয়ে রয়েছে। পঞ্চায়েত থেকে উদ্যোগ নিয়ে রাস্তা সংস্কার করছে না। রাস্তায় গর্ত হয়ে বড়বড় পাথর বেরিয়ে পড়েছে। ভাঙা রাস্তার কারণে অনেক সময় সাইকেল, গাড়ি বিকল হয়ে পড়ছে। রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে প্রচণ্ড সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। বিশেষ করে বর্ষাকালে খানাখন্দ ঠিকমতো বোঝা যায় না। যেকোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে। রাস্তা দিয়ে গাড়ি নিয়ে যেতে খুব অসুবিধা হয়।
এবিষয়ে জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম বলেন, রাস্তার ডিপিআর তৈরি হয়েছে। খুব শীঘ্রই টেন্ডার ডাকা হবে। আশা করছি, দ্রুত কাজ শুরু হবে। সিউড়ির হাটজনবাজার থেকে বনশঙ্কা পর্যন্ত প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার রাস্তাটি পিচের করা হবে। এতে আড্ডা, চাঙ্গুরিয়া, কোমা, গাংটে, মেটেগ্রাম, কাসপাই, বনশঙ্কা সহ একাধিক গ্রামের মানুষ উপকৃত হবেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ওই বেহাল রাস্তা দিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা সত্ত্বেও বাধ্য হয়ে স্কুলের পড়ুয়া ছাড়াও এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাটি সংস্কার করা হোক সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তরফে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অন্যান্য রাস্তাগুলি সংস্কার করা হলেও এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে কোনও সংস্কার করা হয়নি। অথচ এই রাস্তাটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন সকলে।
স্থানীয় বাসিন্দা রতন দাস বলেন, কয়েক বছর ধরেই দেখছি রাস্তাটি বেহাল হয়ে রয়েছে। পঞ্চায়েত থেকে উদ্যোগ নিয়ে রাস্তা সংস্কার করছে না। রাস্তায় গর্ত হয়ে বড়বড় পাথর বেরিয়ে পড়েছে। ভাঙা রাস্তার কারণে অনেক সময় সাইকেল, গাড়ি বিকল হয়ে পড়ছে। রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে প্রচণ্ড সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। বিশেষ করে বর্ষাকালে খানাখন্দ ঠিকমতো বোঝা যায় না। যেকোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে। রাস্তা দিয়ে গাড়ি নিয়ে যেতে খুব অসুবিধা হয়।
এবিষয়ে জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম বলেন, রাস্তার ডিপিআর তৈরি হয়েছে। খুব শীঘ্রই টেন্ডার ডাকা হবে। আশা করছি, দ্রুত কাজ শুরু হবে। সিউড়ির হাটজনবাজার থেকে বনশঙ্কা পর্যন্ত প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার রাস্তাটি পিচের করা হবে। এতে আড্ডা, চাঙ্গুরিয়া, কোমা, গাংটে, মেটেগ্রাম, কাসপাই, বনশঙ্কা সহ একাধিক গ্রামের মানুষ উপকৃত হবেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ওই বেহাল রাস্তা দিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা সত্ত্বেও বাধ্য হয়ে স্কুলের পড়ুয়া ছাড়াও এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাটি সংস্কার করা হোক সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তরফে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অন্যান্য রাস্তাগুলি সংস্কার করা হলেও এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে কোনও সংস্কার করা হয়নি। অথচ এই রাস্তাটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন সকলে।



