সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: প্রতিরাতে হাতি-চিতাবাঘের জোড়া হানা। এমনই অবস্থা নাগরাকাটা ব্লকের দুই নম্বর আংরাভাসা গ্রামপঞ্চায়েতের ধন্দাসিমলার কার্জিপাড়ায়। রোজই হাঁস-মুরগি সাবাড় করছে চিতাবাঘ। তেমনই হাতির হানায় তছনছ হচ্ছে শীতকালীন সব্জি। জোড়া বন্যপ্রাণীর হানায় বিপদে পড়েছেন বাসিন্দারা।
Advertisement
এই এলাকায় চিতাবাঘের আতঙ্কে বাসিন্দারা এখন সন্ধ্যার পর গৃহবন্দি। এই সুযোগে পার্শ্ববর্তী খুট্টিমারি ও ডায়নার জঙ্গল থেকে হাতি ঢুকে পড়ে এলাকায়। বিনাবাধায় হাতির দল সব্জি খেত তছনছ করছে। পাশাপাশি মজুতরাখা ধানের পুঞ্জি থেকে ধান খেয়ে চলে যাচ্ছে হাতি। এলাকার বাসিন্দা প্রহ্লাদ কার্জি বলেন, এই এলাকায় প্রায় প্রতিদিন চিতাবাঘ গ্রামে ঢুকে ছাগল, হাঁস ও মুরগি তুলে নিয়ে যাচ্ছে। গত একসপ্তাহে প্রায় ছয়খানা ছাগল খেয়ে ফেলেছে চিতাবাঘ। আতঙ্কে আমরা সন্ধ্যার পর ঘর থেকে বের হই না।
এলাকার বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যা প্রতিমা মণ্ডল বলেন, চিতাবাঘের আতঙ্ক সব থেকে বেশি এই গ্রামেই। সন্ধ্যার পর হাতি এলেও তাড়ানোর জন্য বাইরে যাওয়া যায় না। সন্ধ্যার পর চা বাগান থেকে এসে গ্রামে ঢুকে পড়ে চিতাবাঘ। গত একসপ্তাহে ছয়টি ছাগল খেয়ে ফেলেছে চিতাবাঘ।
অন্যদিকে, শিশির রায় ও নারায়ণ অধিকারির শিমের মাচা, অসীম রায়ের টমেটো খেত, নবীন রায়ের কালো নুনিয়া ধান খেয়েছে হাতি।
এই ব্যাপারে নাথুয়ার রেঞ্জার শ্যামাপ্রসাদ চাকলাদার বলেন, চিতাবাঘের বিষয়টি ওয়াইল্ড লাইফ স্কোয়াডকে জানিয়ে দেওয়া হবে। হাতির হামলার ঘটনা এখনও কেউই আমাকে জানায়নি। তবুও বিষয়টি দেখা হবে।
এলাকার বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যা প্রতিমা মণ্ডল বলেন, চিতাবাঘের আতঙ্ক সব থেকে বেশি এই গ্রামেই। সন্ধ্যার পর হাতি এলেও তাড়ানোর জন্য বাইরে যাওয়া যায় না। সন্ধ্যার পর চা বাগান থেকে এসে গ্রামে ঢুকে পড়ে চিতাবাঘ। গত একসপ্তাহে ছয়টি ছাগল খেয়ে ফেলেছে চিতাবাঘ।
অন্যদিকে, শিশির রায় ও নারায়ণ অধিকারির শিমের মাচা, অসীম রায়ের টমেটো খেত, নবীন রায়ের কালো নুনিয়া ধান খেয়েছে হাতি।
এই ব্যাপারে নাথুয়ার রেঞ্জার শ্যামাপ্রসাদ চাকলাদার বলেন, চিতাবাঘের বিষয়টি ওয়াইল্ড লাইফ স্কোয়াডকে জানিয়ে দেওয়া হবে। হাতির হামলার ঘটনা এখনও কেউই আমাকে জানায়নি। তবুও বিষয়টি দেখা হবে।



