সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: অন্ধকারে হাতি তাড়াতে গিয়ে বাঁশের সাঁকো ভেঙে হুড়মুড় করে জলাশয়ে পড়ে গেল বনদপ্তরের জিপ। চালক ছাড়া গাড়িতে অন্য কোনও বনকর্মী না থাকায় বড় ধরনের বিপত্তি ঘটেনি। বুধবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের বনচুকামারী গ্রাম পঞ্চায়েতের ফোসকাডাঙার দোলাপাড়ায়।
Advertisement
এদিন রাতে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের পোড়োর জঙ্গলের তিনটি হাতির দল ঢুকে পড়ে দোলাপাড়ায়। খবর পেয়ে বক্সার পশ্চিম দমনপুর রেঞ্জের বনকর্মীরা গাড়ি নিয়ে যান সেখানে। গাড়ি থেকে নেমে পায়ে হেঁটেই সাঁকো পার হয়ে হাতি তাড়াতে যান বনকর্মীরা। পরে শুধু চালক গাড়ি নিয়ে সাঁকোটি পার হওয়ার চেষ্টা করেন। তখনই সাঁকো ভেঙে গাড়িটি জলাশয়ে পড়ে যায়। গাড়িচালককে জলাশয় থেকে টেনে তোলেন এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য মদন রায় ও স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে বনকর্মীরাও আসেন। টেনে তোলা হয় গাড়িটিকেও।
পশ্চিম দমনপুরের রেঞ্জার অর্ণব চৌধুরী বলেন, ঘটনায় কেউ জখম হননি। দুর্বল সাঁকো দিয়ে চালক গাড়ি পার করার চেষ্টা করায় এই বিপত্তি ঘটেছে।
এদিকে, রাতেই বনকর্মীরা হাতি তিনটিকে পোড়োর জঙ্গলে ফিরিয়ে দেন। জঙ্গলে ফিরে যাওয়ার আগে হাতির দলটি এলাকার কৃষক শিবু ভগৎ, নারায়ণ ওরাওঁ এবং লাল ওরাওঁয়ের কয়েক বিঘা পাকা আমন ধানের খেত পুরোপুরিভাবে তছনছ করে দেয়। এনিয়ে এলাকার কৃষকদের মধ্যে যথেষ্ট ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
গৃহবধূ সরস্বতী বর্মন বলেন, আমন ধান পাকতেই রোজ সন্ধ্যের পর হাতির উপদ্রব শুরু হয়েছে এলাকায়। জমি থেকে ধান তোলা শেষ হলে হাতির দল এরপর বাড়িঘরেও ভাঙচুর শুরু করবে। আমরা আতঙ্কে আছি।
পঞ্চায়েত সদস্য মদনবাবু বলেন, গ্রামবাসীদের নিয়ে দোলাপাড়ায় ওই জলাশয়ের উপর বাঁশের সাঁকো তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল। এদিন জলাশয় থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আমিই গাড়িচালককে ডাঙায় টেনে তুলেছি।
পশ্চিম দমনপুরের রেঞ্জার অর্ণব চৌধুরী বলেন, ঘটনায় কেউ জখম হননি। দুর্বল সাঁকো দিয়ে চালক গাড়ি পার করার চেষ্টা করায় এই বিপত্তি ঘটেছে।
এদিকে, রাতেই বনকর্মীরা হাতি তিনটিকে পোড়োর জঙ্গলে ফিরিয়ে দেন। জঙ্গলে ফিরে যাওয়ার আগে হাতির দলটি এলাকার কৃষক শিবু ভগৎ, নারায়ণ ওরাওঁ এবং লাল ওরাওঁয়ের কয়েক বিঘা পাকা আমন ধানের খেত পুরোপুরিভাবে তছনছ করে দেয়। এনিয়ে এলাকার কৃষকদের মধ্যে যথেষ্ট ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
গৃহবধূ সরস্বতী বর্মন বলেন, আমন ধান পাকতেই রোজ সন্ধ্যের পর হাতির উপদ্রব শুরু হয়েছে এলাকায়। জমি থেকে ধান তোলা শেষ হলে হাতির দল এরপর বাড়িঘরেও ভাঙচুর শুরু করবে। আমরা আতঙ্কে আছি।
পঞ্চায়েত সদস্য মদনবাবু বলেন, গ্রামবাসীদের নিয়ে দোলাপাড়ায় ওই জলাশয়ের উপর বাঁশের সাঁকো তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল। এদিন জলাশয় থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আমিই গাড়িচালককে ডাঙায় টেনে তুলেছি।



