নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: স্যালাইনের চ্যানেল করার পরই এক বৃদ্ধ রোগীর হাতে বীভৎস ফোস্কা পড়ে বলে অভিযোগ তুলেছিল পরিবার। তাদের অভিযোগ ছিল, ময়নাগুড়ির দক্ষিণ ভুসকাডাঙার বাসিন্দা পরিমল সরকার নামে ওই রোগীর চিকিৎসায় গুরুত্ব দিচ্ছে না জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ। তারই জেরে রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক হয়ে পড়ছে। রবিবার ‘বর্তমান’-এ এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পরই সুপারের নির্দেশে ওই রোগীর চিকিৎসায় ঝাঁপিয়ে পড়েন জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের চিকিৎসকরা। এদিন সকালেই রোগীর হাতে ড্রেসিং করা হয়। দেওয়া হয় ওষুধ। এর জেরে দুপুরের পর থেকে ফোস্কা কমতে শুরু করেছে। রবিবার বিকেলে মেডিক্যালের সুপার ডাঃ কল্যাণ খাঁ বলেন, ওই রোগীর উপর সর্বক্ষণ নজরদারি রাখছেন চিকিৎসকরা। এখন তিনি অনেকটাই ভালো আছেন। এদিন চিকিৎসক অমিত চক্রবর্তী জানিয়ে দিয়েছেন, আপাতত রোগীকে রেফার করার প্রয়োজন নেই। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতালের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, অনিয়ন্ত্রিত সুগার এবং ত্বকে সংক্রমণের কারণেই রোগীর হাতে ওই ফোস্কা পড়ে।



