নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: গ্রাম্য পরিবেশ। এমন থিম নিয়ে শিলিগুড়িতে সৃষ্টিশ্রী মেলার প্রস্তুতি শুরু করেছে আনন্দধারা প্রকল্পের মিশন ম্যানেজমেন্ট ইউনিট। মঙ্গলবার কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে এই মেলার সূচনা হবে। এতে সেলফি জোন থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চা, ঘুগনি থেকে পিঠা,পুলি, বস্ত্র থেকে ঘর সাজানোর উপকরণ সহ হস্তশিল্পের স্টল থাকবে। রবিবার মেলা ময়দান পরিদর্শন করার পর একথা জানান আনন্দধারা প্রকল্পের আধিকারিকরা।
Advertisement
আনন্দধারা প্রকল্পের অতিরিক্ত জেলা মিশন অধিকর্তা মৌসুমী পাত্র বলেন, এই প্রথম এখানে আঞ্চলিক সৃষ্টিশ্রী মেলার আসর বসছে। সাতদিন ধরে এই মেলা চলবে। তাতে উত্তরবঙ্গ সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা স্টল নিয়ে হাজির হবেন। মেলার থিম গ্রাম্য পরিবেশ।
রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের মতো উত্তরবঙ্গেও মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি বিভিন্ন ধরনের দ্রব্য সামগ্রী প্রস্তুত করে। কোনও গোষ্ঠী তুলাইপাঞ্জি সহ বিভিন্ন ধরনের চাল উৎপাদন করে। কোনও গোষ্ঠী শীতলপাটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের উপকরণ, কোনও গোষ্ঠী মাটির বিভিন্ন ধরনের পাত্র, আবার কোনও গোষ্ঠী বিভিন্ন ধরনের বস্ত্র সহ ঘর সাজানোর উপকরণ প্রস্তুত করে। সেগুলি প্রদর্শিত ও বাজারজাত করতে আঞ্চলিক সৃষ্টিশ্রী মেলার আয়োজন হচ্ছে। বাঁশ, কাঠ, কাপড় দিয়ে মেলা ময়দান সাজিয়ে তোলা হয়েছে। আমন্ত্রণপত্রও বিলি করা হচ্ছে। আগামীকাল মেলার উদ্বোধন করবেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব।
২৭জানুয়ারি পর্যন্ত মেলা চলবে। আনন্দধারা প্রকল্পের আধিকারিকরা বলেন, মেলায় স্টল হবে ৯৭টি। যারমধ্যে ৭২টি স্থায়ী স্টল হবে। সেগুলির মাথায় ছাউনি থাকবে। ১২টি স্টলের চারপাশ হবে খোলা। আর ফুডকোর্ট তৈরি করা হবে ১৩টি। সবক’টি স্টল থাকবে মহিলা স্বনির্ভরগোষ্ঠীর অধীনে। চা, ঘুগনি, ফাস্টফুড থেকে পাটিসাপটা, মালপোয়া, ভাপাপিটে প্রভৃতি ফুডকোর্টে মিলবে। আর থাকবে সেলফিজোন। তাতে গ্রাম্য পরিবেশের দৃশ্য তুলে ধরা হবে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলা ময়দানে বসবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আসর। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ লোকসঙ্গীত।
রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের মতো উত্তরবঙ্গেও মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি বিভিন্ন ধরনের দ্রব্য সামগ্রী প্রস্তুত করে। কোনও গোষ্ঠী তুলাইপাঞ্জি সহ বিভিন্ন ধরনের চাল উৎপাদন করে। কোনও গোষ্ঠী শীতলপাটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের উপকরণ, কোনও গোষ্ঠী মাটির বিভিন্ন ধরনের পাত্র, আবার কোনও গোষ্ঠী বিভিন্ন ধরনের বস্ত্র সহ ঘর সাজানোর উপকরণ প্রস্তুত করে। সেগুলি প্রদর্শিত ও বাজারজাত করতে আঞ্চলিক সৃষ্টিশ্রী মেলার আয়োজন হচ্ছে। বাঁশ, কাঠ, কাপড় দিয়ে মেলা ময়দান সাজিয়ে তোলা হয়েছে। আমন্ত্রণপত্রও বিলি করা হচ্ছে। আগামীকাল মেলার উদ্বোধন করবেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব।
২৭জানুয়ারি পর্যন্ত মেলা চলবে। আনন্দধারা প্রকল্পের আধিকারিকরা বলেন, মেলায় স্টল হবে ৯৭টি। যারমধ্যে ৭২টি স্থায়ী স্টল হবে। সেগুলির মাথায় ছাউনি থাকবে। ১২টি স্টলের চারপাশ হবে খোলা। আর ফুডকোর্ট তৈরি করা হবে ১৩টি। সবক’টি স্টল থাকবে মহিলা স্বনির্ভরগোষ্ঠীর অধীনে। চা, ঘুগনি, ফাস্টফুড থেকে পাটিসাপটা, মালপোয়া, ভাপাপিটে প্রভৃতি ফুডকোর্টে মিলবে। আর থাকবে সেলফিজোন। তাতে গ্রাম্য পরিবেশের দৃশ্য তুলে ধরা হবে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলা ময়দানে বসবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আসর। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ লোকসঙ্গীত।



