সংবাদদাতা, কালিয়াচক: বাড়ি থেকে চাদর বা মাদুর এনে হাসপাতালের মেঝেতে পেতে চিকিত্সা নিচ্ছেন রোগীরা। সেই মেঝেতে ঠাঁই হয়েছে শিশু, থেকে মহিলা- সব রোগীরই। এতটা পর্যন্ত তবুও ঠিক আছে! কিন্তু হাসপাতালের ভিতর সেই মেঝেতে যদি রোগীদের পাশে শুয়ে থাকে কুকুর, বিড়াল! তাহলে? এমনই ছবি কালিয়াচক ৩ ব্লকের বেদরাবাদ গ্রামীণ হাসপাতালের। সেখানে অবাধ যাতায়াত কুকুর, বিড়ালের। মেঝেভর্তি রোগীর মাঝে কখনও কুকুর শুয়ে থাকছে। কখনও ডাস্টবিন থেকে ময়লা মুখে বেরিয়ে যাচ্ছে। হাসপাতালের এমনই বেহাল অবস্থা দেখে ক্ষোভ ছড়িয়েছে রোগীর পরিবারের মধ্যে। স্বাস্থ্য কর্তাদের নজরদারি নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
Advertisement
বিএমওএইচ শেখ আব্দুল্লাহর প্রতিক্রিয়া, হাসপাতালে এরকম হয়ে থাকলে সেটা খুব খারাপ হয়েছে। হাসপাতালে এসব দেখার জন্য একজন লোক রয়েছে। তাঁর সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেব।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালে আশেপাশে প্রচুর কুকুর। সারমেয়গুলি আস্তানা গেড়েছে হাসপাতালের মধ্যে। বেশ কয়েকটি কুকুর রোগীর শয্যা এবং তার আশেপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মুখ দিচ্ছে রোগীর খাবারেও। কোনও সময় আবার রোগীর বিছানায় শুয়ে থাকছে কুকুরগুলি।
হাসপাতালে ভাইপোকে ভর্তি করিয়েছেন রেজাউল শেখ। তিনি বলেন, তিনদিন ধরে আমার ভাইপো হাসপাতালে ভর্তি। বেড না থাকায় নীচেই আশ্রয় নিতে হয়েছে। কিন্তু নীচেও সমস্যা। যখন-তখন কুকুর চলে আসে।
রোগীর জন্য রাখা খাবার থেকে শুরু করে বিভিন্ন জিনিসে মুখ দিচ্ছে কুকুর। আরেক রোগীর আত্মীয়া রঞ্জনা মণ্ডলের বক্তব্য, আমার দিদি জ্বর নিয়ে দু’দিন থেকে ভর্তি রয়েছে। কিন্তু হাসপাতালের ভিতর কুকুরের উপদ্রব। সুযোগ পেলেই কুকুর উঠে যাচ্ছে বেডে।
স্থানীয় বাসিন্দা ইন্দ্রজিত্ সরকারও বলছেন, হাসপাতালের ভিতরে পরিচ্ছন্নতার অভাব রয়েছে। কুকুর বিড়াল হাসপাতালের ভিতরে ঢুকে থাকলেও কোনও হেলদোল নেই প্রশাসনের। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সঞ্জয় সরকারের কথায়, বিষয়টি খুব গুরুতর। ভয়ের। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটি দেখার জন্য অনুরোধ করব।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালে আশেপাশে প্রচুর কুকুর। সারমেয়গুলি আস্তানা গেড়েছে হাসপাতালের মধ্যে। বেশ কয়েকটি কুকুর রোগীর শয্যা এবং তার আশেপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মুখ দিচ্ছে রোগীর খাবারেও। কোনও সময় আবার রোগীর বিছানায় শুয়ে থাকছে কুকুরগুলি।
হাসপাতালে ভাইপোকে ভর্তি করিয়েছেন রেজাউল শেখ। তিনি বলেন, তিনদিন ধরে আমার ভাইপো হাসপাতালে ভর্তি। বেড না থাকায় নীচেই আশ্রয় নিতে হয়েছে। কিন্তু নীচেও সমস্যা। যখন-তখন কুকুর চলে আসে।
রোগীর জন্য রাখা খাবার থেকে শুরু করে বিভিন্ন জিনিসে মুখ দিচ্ছে কুকুর। আরেক রোগীর আত্মীয়া রঞ্জনা মণ্ডলের বক্তব্য, আমার দিদি জ্বর নিয়ে দু’দিন থেকে ভর্তি রয়েছে। কিন্তু হাসপাতালের ভিতর কুকুরের উপদ্রব। সুযোগ পেলেই কুকুর উঠে যাচ্ছে বেডে।
স্থানীয় বাসিন্দা ইন্দ্রজিত্ সরকারও বলছেন, হাসপাতালের ভিতরে পরিচ্ছন্নতার অভাব রয়েছে। কুকুর বিড়াল হাসপাতালের ভিতরে ঢুকে থাকলেও কোনও হেলদোল নেই প্রশাসনের। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সঞ্জয় সরকারের কথায়, বিষয়টি খুব গুরুতর। ভয়ের। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটি দেখার জন্য অনুরোধ করব।



