Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হাসপাতালের জমিতে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ করিমপুরের নতিডাঙায়, চাঞ্চল্য

হাসপাতালের জমিতে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ করিমপুরের নতিডাঙায়, চাঞ্চল্য
  • ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, করিমপুর: করিমপুর-২ ব্লকের নতিডাঙা গ্রামীণ হাসপাতালের জমিতে চিকিৎসকদের আবাসন ভেঙে বেআইনিভাবে ঘর তৈরির অভিযোগ উঠল শাসকদলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দা আফাজুদ্দিন বিশ্বাস বুধবার এবিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ জেলাশাসক, তেহট্টের মহকুমা শাসক, হাসপাতালের সুপার, বিডিও এবং ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েছেন।
Advertisement
নতিডাঙা গ্রামীণ হাসপাতালের সুপার মিঠুন সরকার বলেন, হাসপাতাল লাগোয়া জায়গায় যখন ওই নির্মাণ শুরু হয়, তখনই ব্লক প্রশাসন, পুলিস ও ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তরে জানিয়েছিলাম। ভূমিসংস্কার দপ্তর জমি জরিপ করে জানিয়েছিল, সেখানে হাসপাতালের জমি পড়ছে না। দরকার হলে ফের সেই জমি মাপজোক করে দেখা হবে। সম্প্রতি রোগীকল্যাণ সমিতির বৈঠকে ঠিক হয়েছে, হাসপাতালের জমি প্রাচীর দিয়ে ঘেরা হবে। অভিযোগপত্রের বিষয়টি মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে জানিয়েছি।
অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন পঞ্চায়েত প্রধান আখতারুল মণ্ডল। তিনি বলেন, ওটা খাসজমি। সেখানে পঞ্চায়েতের উদ্যোগে ঘর তৈরি হচ্ছে। আগামী দিনে এলাকায় আরও কিছু জায়গায় এরকম ঘর তৈরি হবে।
অভিযোগপত্রে আফাজুদ্দিন বিশ্বাস জানান, ওই জমিতে ব্যবসার জন্য ঘর তৈরি করছেন শাসকদলের নেতারা। ১৪ নম্বর নতিডাঙা মৌজার ১৬৪২, ১৬৪৫, ১৬৪৬ ও ১৬৪৭ দাগে নতিডাঙা গ্রামীণ হাসপাতাল রয়েছে। সেখানে চিকিৎসকদের পুরনো আবাসন ও শৌচাগার ছিল। তৃণমূলের স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতা সেসব ভেঙে চারটি বেআইনি দোকানঘর তৈরি করেন। ফলে হাসপাতালে আসা মানুষের সাইকেল, গাড়ি মোটরবাইক রাখতে সমস্যা হচ্ছে। অভিযোগকারী বলেন, এবিষয়ে স্থানীয় মানুষ প্রতিবাদ জানালে বাড়ি গিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। বাধা দিতে আইনি পথে হাঁটলে পুলিস দিয়ে এনডিপিএস মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। এই জমি ছাড়াও ১২ নম্বর শুভরাজপুর মৌজার প্রায় ২৫বিঘা জলাশয়ের রাস্তার ধারের একদিকে পিলার তুলে ঘর তৈরি করেছে রাজনৈতিক নেতারা। সরকারি জমি দখলমুক্ত করার জন্য জমি জরিপ করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়েছি।
এবিষয়ে করিমপুর-২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সৌমেন বিশ্বাস বলেন, এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে। অভিযোগ পেলে দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানানো হবে। দলের কোনও নেতা জড়িত থাকলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। করিমপুর-২ এর বিডিও সুপ্রতীক মজুমদার বলেন, আগে একবার সেখানে জমি জরিপ করা হয়েছিল। ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তর জানিয়েছিল, ওই জায়গা হাসপাতালের নয়। ওটা খাসজমি। পঞ্চায়েত সেখানে ঘর তৈরি করেছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ