সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ময়ূরেশ্বর ১ ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভিতর দিয়েই বিভিন্ন গ্রামে যাওয়ার রাস্তা! দিনে তো বটেই, গভীর রাত পর্যন্ত সেই রাস্তা দিয়ে দ্রুতগতিতে যাওয়া আসা করছে বাইক সহ ছোট যানবাহন। চলন্ত যানবাহনের ফাঁক দিয়ে এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগ যাওয়া আসা করতে হচ্ছে রোগী, নার্স, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের। বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে। শুধু দুর্ঘটনার ভয়ই নয়, বড় কোনও অপরাধও ঘটে যেতে পারে যে কোনও দিন। আর জি কর কাণ্ডের পর রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালে নিরাপত্তা বাড়ানোর যে উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার, হাসপাতালের ভিতর দিয়েই সাধারণ মানুষের ও যানবাহন চলাচলের রাস্তা থাকায় তা সম্ভব হচ্ছে না এই হাসপাতালে।
Advertisement
মল্লারপুরে অবস্থিত ময়ূরেশ্বর ১ ব্লক হাসপাতাল। এলাকার বাসিন্দারা তো বটেই, লাগোয়া ময়ূরেশ্বর ২ ব্লক, রামপুরহাট ১ ব্লক এবং মহম্মদবাজারের ব্লক থেকেও বহু মানুষ এখানে আসেন চিকিৎসার জন্য। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চত্বরে রয়েছে নার্স, চিকিৎসকদের কোয়ার্টার। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রয়েছে ইনডোর ও আউটডোর পরিষেবা। স্বভাবতই রোগীর চাপ বেশি। কিন্তু এ বিভাগ থেকে ও বিভাগে যেতে গেলে রোগী থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কারণ, হাসপাতালের ক্যাম্পাসের ভিতর দিয়েই মল্লারপুর থানার মদিয়ান, মেহেদিনগর সহ একাধিক গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। হাসপাতাল চত্বরের ভিতর দিয়েই দ্রুতগতিতে বাইক সহ ছোট যানবাহন চলে। ধাক্কা লেগে যেতেই পারে যে কোনও সময়ে। ফলে হাসপাতালের কর্মী ও রোগীরা নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন। সামসুজ্জোহা নামে এক রোগীর আত্মীয় বলেন, এই রাস্তার ধারেই আউটডোরের টিকিটের জন্য লাইন দিতে হয়। যেভাবে বাইক ছোটে তাতে ভয় হয়, এই বুঝি ধাক্কা মারবে! আতঙ্কে থাকেন নার্স থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা। এই রাস্তা পেরিয়ে এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে যেতে হয় তাঁদের। বিশেষ করে রাতের দিকে বেশি করে নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন তাঁরা।
কিছুটা দূরেই পঞ্চায়েত সমিতির অফিস। সভাপতি তথা এলাকার তৃণমূল নেতা ধীরেন্দ্রমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ১৯৭২ সালে এই হাসপাতাল তৈরি হয়। তখন থেকেই হাসপাতালের ভিতর দিয়েই রাস্তা। তারপর তেমন কোনও উন্নয়ন হয়নি। দ্রুত পাঁচিল তুলে ওই রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়া উচিত। কারণ, যে কোনও সময়ে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। বিকল্প রাস্তা যে নেই, তা নয়। বড় কাজ করার মতো সমিতির কাছে তো অর্থ নেই। নইলে আমরাই পাঁচিল তুলে ওই রাস্তা ঘিরে দিতাম। বিষয়টি জেলা প্রশাসনের কাছেও জানিয়েছি। সেই সঙ্গে এই হাসপাতালকে গ্রামীণ হাসপাতালে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নিয়েছি।
শনিবার এই হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। রামপুরহাট স্বাস্থ্যজেলার সিএমওএইচ শোভন দে এবং বিএমওএইচ সৌরভ চক্রবর্তী তাঁকে সমস্যার কথা জানান। সৌরভবাবু বলেন, সবসময় এই রাস্তা দিয়ে দ্রুতগতিতে গাড়ি যাতায়াত করছে। শুধু আমাদের নিরাপত্তা নয়, রোগীদেরও সমস্যা। রাতের দিকে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তিনি বলেন, হাসপাতালের সীমানার পাশ দিয়ে ক্যানেল পাড় দিয়ে ২০০ মিটার নতুন রাস্তা করে পুরনো রাস্তার সঙ্গে মিশিয়ে দিলে গ্রামবাসীদের যেমন যাতায়াতের সমস্যা হবে না, তেমনি হাসপাতালের নিরাপত্তার অভাব বোধও থাকবে না। সভাধিপতিকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।
কিছুটা দূরেই পঞ্চায়েত সমিতির অফিস। সভাপতি তথা এলাকার তৃণমূল নেতা ধীরেন্দ্রমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ১৯৭২ সালে এই হাসপাতাল তৈরি হয়। তখন থেকেই হাসপাতালের ভিতর দিয়েই রাস্তা। তারপর তেমন কোনও উন্নয়ন হয়নি। দ্রুত পাঁচিল তুলে ওই রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়া উচিত। কারণ, যে কোনও সময়ে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। বিকল্প রাস্তা যে নেই, তা নয়। বড় কাজ করার মতো সমিতির কাছে তো অর্থ নেই। নইলে আমরাই পাঁচিল তুলে ওই রাস্তা ঘিরে দিতাম। বিষয়টি জেলা প্রশাসনের কাছেও জানিয়েছি। সেই সঙ্গে এই হাসপাতালকে গ্রামীণ হাসপাতালে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নিয়েছি।
শনিবার এই হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। রামপুরহাট স্বাস্থ্যজেলার সিএমওএইচ শোভন দে এবং বিএমওএইচ সৌরভ চক্রবর্তী তাঁকে সমস্যার কথা জানান। সৌরভবাবু বলেন, সবসময় এই রাস্তা দিয়ে দ্রুতগতিতে গাড়ি যাতায়াত করছে। শুধু আমাদের নিরাপত্তা নয়, রোগীদেরও সমস্যা। রাতের দিকে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তিনি বলেন, হাসপাতালের সীমানার পাশ দিয়ে ক্যানেল পাড় দিয়ে ২০০ মিটার নতুন রাস্তা করে পুরনো রাস্তার সঙ্গে মিশিয়ে দিলে গ্রামবাসীদের যেমন যাতায়াতের সমস্যা হবে না, তেমনি হাসপাতালের নিরাপত্তার অভাব বোধও থাকবে না। সভাধিপতিকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।



