লখনউ: ১৫ জন মৎস্যজীবীকে খুন করেছিলেন। ফুলন দেবীর মতো তিনিও পরিচিত ছিলেন ‘বান্ডিট কুইন’ নামেই। শনিবার লখনউয়ের সঞ্জয় গান্ধী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসে যক্ষ্মা রোগে মৃত্যু হল সেই ‘বান্ডিট কুইন’ কুসমা নাইনের। এটার জেল সুপার কুলদীপ সিং সোমবার বলেন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কুসমাকে ১ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় ভীমরাও আম্বেদকর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তবে পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সাইফাই মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে কুসমাকে লখনউয়ের সঞ্জয় গান্ধী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসে আনা হয়। শনিবার সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। তিকরি গ্রামে কুসমার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
Advertisement
উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের একটি বিস্তীর্ণ অংশে একসময় ত্রাস ছিল রামেশ্বর ওরফে ফক্কর গ্যাং। তারই সহযোগী ছিলেন কুসমা। ২০০৪ সালের ৮ জুন কুসমা সহ রামেশ্বরের পুরো গ্যাং আত্মসমর্পণ করে। কুসমাকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। সেই থেকে এটা জেলা আদালতেই ছিলেন কুসমা। যক্ষ্মা ধরা পড়লে তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি
করা হয়েছিল।
করা হয়েছিল।



