সংবাদদাতা, ডোমকল: পায়ে বাঁধা ব্যান্ডেজ। হাসপাতালের বেডে বসে পরীক্ষা দিচ্ছেন এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। পাশেই চেয়ারে বসে রয়েছেন উর্দিধারী এক পুলিসকর্মী। উল্টোদিকে বসে পরীক্ষক। পরীক্ষা চলাকালীন হাসপাতালে ঢুকে সেই ভিডিও করার পাশপাশি পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষকের সাক্ষাৎকারও নিচ্ছেন একজন। ওই ভিডিও একটি ফেসবুক পেজে ওই আপলোড হতেই বির্তক দানা বেঁধেছে (ওই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি ‘বর্তমান’)। প্রশ্ন উঠছে, এত নিরাপত্তা থাকার পরেও কী করে মাধ্যমিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা চলাকালীন এভাবে ভিডিও করা যায়? পাশপাশি প্রশ্ন ফাঁসের আশঙ্কাও থেকে যাচ্ছে।
Advertisement
সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, ডোমকলের রায়পুর হাই স্কুলের মহম্মদ হাসান নামের এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সিট পড়েছিল ডোমকলের হরিশংকরপুর হাই স্কুলে। এদিন সকালে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার সময় কাটাকোপরা এলাকায় পথ দুর্ঘটনায় জখম হয় সে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ডোমকল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে হাসপাতালের মধ্যেই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। পুলিসি নিরাপত্তায় হাসপাতালের বেডে বসেই পরীক্ষা দেয় ওই পরীক্ষার্থী। সবকিছু ঠিকই চলছিল। পরীক্ষা শুরুর পরে ওই রুমে ঢোকেন এক ইউটিউব চ্যানেলের সাংবাদিক। এরপরে ওই পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা দেওয়ার ভিডিও তোলার পাশাপাশি, ব্যুম নিয়ে তার সাক্ষাৎকারও নেন। পাশপাশি সাক্ষাৎকার নেন সেখানে থাকা পরীক্ষকের।
পরবর্তীতে ওই ভিডিও একটি ফেসবুক পেজে আপলোড হতেই বির্তক দানা বাঁধতে শুরু করে। প্রশ্ন ওঠে, পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইলের ওপরে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরেও কীভাবে ওই ভিডিও তুলে তা সামাজিক মাধ্যমে আপলোড করলেন ওই ইউটিউবার। কেন বাধা দিলেন না দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তাকর্মীরা। ওই মোবাইলে প্রশ্নপত্রের ছবি তোলা হয়েছে কি না, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন পরীক্ষক সুশান্ত রায়। তিনি বলেন, পরীক্ষা শুরু হওয়ার অনেকক্ষণ পরেই একজন ভেতরে ঢোকেন। সাক্ষাৎকার চাইলে আমি আপত্তি জানিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে থাকা নিরাপত্তা কর্মীরা আমাকে জানান, সমস্যা নেই, উনি কিছু ক্ষতি করবেন না, সাক্ষাৎকার নিয়ে চলে যাবেন। হাসপাতালের সুপার সৌরভ শীল বলেন, আমি তখন হাসপাতালে ছিলাম না। উনি রোগীর আত্মীয়ের পরিচয়ে ঢুকেছিলেন। পুরো বিষয়টি নিয়ে পুলিসে অভিযোগ জানিয়েছি। খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মুর্শিদাবাদ জেলার অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক অমর কুমার শীল বলেন, আমি বহরমপুরে ডিআই অফিসে বসে আছি। আমার কাছে খবর আসেনি। তবে এভাবে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকা যায় না। ডোমকলের এসডিপিও শুভম বাজাজ বলেন, আমি ভিডিওটা দেখেছি, প্রাথমিকভাবে যেটা বোঝা যাচ্ছে ভিডিওটা বাইরে থেকে নেওয়া হয়েছে। যদিও সেটা হওয়া উচিত ছিল না। আর সাক্ষাৎকার পরীক্ষা শেষে হয়েছে। তবুও, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে, খতিয়ে দেখে দোষী হলে সেখানে দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরবর্তীতে ওই ভিডিও একটি ফেসবুক পেজে আপলোড হতেই বির্তক দানা বাঁধতে শুরু করে। প্রশ্ন ওঠে, পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইলের ওপরে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরেও কীভাবে ওই ভিডিও তুলে তা সামাজিক মাধ্যমে আপলোড করলেন ওই ইউটিউবার। কেন বাধা দিলেন না দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তাকর্মীরা। ওই মোবাইলে প্রশ্নপত্রের ছবি তোলা হয়েছে কি না, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন পরীক্ষক সুশান্ত রায়। তিনি বলেন, পরীক্ষা শুরু হওয়ার অনেকক্ষণ পরেই একজন ভেতরে ঢোকেন। সাক্ষাৎকার চাইলে আমি আপত্তি জানিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে থাকা নিরাপত্তা কর্মীরা আমাকে জানান, সমস্যা নেই, উনি কিছু ক্ষতি করবেন না, সাক্ষাৎকার নিয়ে চলে যাবেন। হাসপাতালের সুপার সৌরভ শীল বলেন, আমি তখন হাসপাতালে ছিলাম না। উনি রোগীর আত্মীয়ের পরিচয়ে ঢুকেছিলেন। পুরো বিষয়টি নিয়ে পুলিসে অভিযোগ জানিয়েছি। খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মুর্শিদাবাদ জেলার অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক অমর কুমার শীল বলেন, আমি বহরমপুরে ডিআই অফিসে বসে আছি। আমার কাছে খবর আসেনি। তবে এভাবে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকা যায় না। ডোমকলের এসডিপিও শুভম বাজাজ বলেন, আমি ভিডিওটা দেখেছি, প্রাথমিকভাবে যেটা বোঝা যাচ্ছে ভিডিওটা বাইরে থেকে নেওয়া হয়েছে। যদিও সেটা হওয়া উচিত ছিল না। আর সাক্ষাৎকার পরীক্ষা শেষে হয়েছে। তবুও, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে, খতিয়ে দেখে দোষী হলে সেখানে দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



