Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হোসেনপুরে বর্ষাকালে ভরসা ডিঙি, অন্যসময় বাঁশের মাচা

হোসেনপুরে বর্ষাকালে ভরসা ডিঙি, অন্যসময় বাঁশের মাচা
  • ৯ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, চাঁচল: শুখা মরসুমে ভরসা নড়বড়ে বাঁশের মাচা। আর বর্ষাকালে ভরা নদী পারাপারে ভরসা ডিঙি, নৌকা। বর্ষায় নৌকা উল্টে যায়। আর শুখা মরসুমে বাঁশের মাচা থেকে পড়ে গিয়ে হামেশাই দুর্ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। সমস্যা মেটাতে কয়েকদশক ধরে নদীর উপর পাকা সেতুর দাবি জানিয়ে আসছেন চাঁচল ২ চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের হোসেনপুরের বাসিন্দারা। দাবি পূরণ না হওয়ায় রীতিমতো ক্ষোভে ফুঁসছেন বাসিন্দারা। মহানন্দা ও সুই নদীর মাঝখানে হোসেনপুর গ্রাম। সেখানে প্রায় ১ হাজার পরিবারের বসবাস। বর্ষায় ডিঙি, নৌকা ও বর্তমানে নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের মাচা দিয়েই এপারে জীবিকা নির্বাহ করতে আসেন এলাকার মানুষ। স্থানীয়দের কথায়, পঞ্চায়েত, ব্লক, হাসপাতাল, হাটবাজার ও স্কুল সবকিছু ক্ষেত্রেই ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হয়ে যেতে হয়। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য আব্দুল রহিম বলেন, আমাদের যাতায়াত সমস্যা চরমে। কেউ অসুস্থ হলে খাটিয়ায় করে নিয়ে যাওয়ায় হয় নদীর ওপারে। তারপরে হাসপাতালে পৌঁছনো যায়। গত বর্ষায় মেঘের গর্জন আর তুমুল বৃষ্টির জন্য এক গর্ভবতীর পরিবার সময়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারেনি। প্রসব যন্ত্রণায় বাড়িতেই মৃত্যু হয় ওই গর্ভবতীর। সেতু হলে গোটা গ্রাম রেহাই পাবে। এখনও সেতু না হওয়ায় হতাশ আরেক বাসিন্দা উমর ফারুক। 
Advertisement
চাঁচল ২ ব্লকের কংগ্রেসের সভাপতি তথা প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য মাঞ্জারুল ইসলাম জানান, ২০১৬ সালে জেলাপরিষদের উদ্যোগে এলাকায় ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে আসা হয়েছিল। ব্রিজের জন্য উদ্যোগী হয়েছিলাম। কিন্তু জেলাপরিষদের বোর্ড তৃণমূলের দখলে যাওয়ায় কাজ করতে পারিনি। এখন তো সব তৃণমূলের দখলে। তারা কেউ পাকা ব্রিজ নিয়ে ভাবেন না। ওই এলাকার মালতীপুরের তৃণমূলের বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সি বলেন, সেতু নির্মাণের চেষ্টা করছি। বিধানসভাতেও প্রস্তাব রাখব।
সম্পর্কিত সংবাদ