নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: পরকীয়ার কথা জেনে গিয়েছিল স্ত্রী। সেজন্য স্ত্রীকে গুলি করে খুন করে স্বামী। ঘটনার আড়াই বছর পর ত্রিশূল বিশ্বাস নামে ওই ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করল আদালত। মঙ্গলবার ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারক মনোদীপ দাশগুপ্ত হাঁসখালির ওই ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।
Advertisement
পুলিস ও আদালত সূত্রে খবর, হাঁসখালি থানার কৈখালী বটতলার বাসিন্দা সুজাতার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল পাশের গ্রাম গয়ারডাঙ্গীর বাসিন্দা ত্রিশূলের বিয়ে হয়েছিল। তাদের দু’টি কন্যাসন্তান রয়েছে। পেশায় নির্মাণশ্রমিক ত্রিশূল পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ায় বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছিল। চলছিল বধূনির্যাতনের মামলাও। ২০২২ সালের ১৪ জুলাই খুনের ঘটনা ঘটে। সেদিন রাতে স্ত্রী সুজাতা বিশ্বাসের বাপের বাড়িতে যায় ত্রিশূল। উদ্দেশ্য ছিল নিজের ছোট মেয়েকে স্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়া। সুজাতা ঘর থেকে বেরোতেই কোমর থেকে রিভলবার বের করে গুলি ছোড়ে ত্রিশূল। সেসময় ঠিক পিছনেই ছিল সুজাতার বোন। তাঁর চোখের সামনেই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। এরপর ত্রিশূল চম্পট দেয়। সুজাতাকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এরপরই সুজাতার পরিবার খুনের অভিযোগ দায়ের করে। তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে হাঁসখালি থানার পুলিস। সরকারি আইনজীবী অপূর্বকুমার ভদ্র বলেন, বধূ নির্যাতন, খুন ও অস্ত্র আইনে মামলা রুজু হয়েছিল। ২০২৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি এই মামলার চার্জ গঠন হয়। তার ঠিক এক বছরের মাথায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা হয়েছে। বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীন প্রত্যক্ষদর্শী সহ ১১জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছিল।
রানাঘাট পুলিস জেলার সুপার কুমার সানি রাজ বলেন, এবছর আমরা জানুয়ারি থেকে মাত্র ৪৫দিনে ছয়-সাতটি মামলা রায়দান পর্যন্ত নিয়ে যেতে পেরেছি। আমাদের ট্রায়াল মনিটরিং টিম খুব ভালো কাজ করছে। এই কেসেও মাঝপথে বিচারপ্রক্রিয়া শ্লথ হয়ে গিয়েছিল। আমরা শেষ ছ’মাসে বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করার জন্য কাজ করেছি। তদন্তকারী আধিকারিকরা খুব ভালো কাজ করেছেন।
এরপরই সুজাতার পরিবার খুনের অভিযোগ দায়ের করে। তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে হাঁসখালি থানার পুলিস। সরকারি আইনজীবী অপূর্বকুমার ভদ্র বলেন, বধূ নির্যাতন, খুন ও অস্ত্র আইনে মামলা রুজু হয়েছিল। ২০২৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি এই মামলার চার্জ গঠন হয়। তার ঠিক এক বছরের মাথায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা হয়েছে। বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীন প্রত্যক্ষদর্শী সহ ১১জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছিল।
রানাঘাট পুলিস জেলার সুপার কুমার সানি রাজ বলেন, এবছর আমরা জানুয়ারি থেকে মাত্র ৪৫দিনে ছয়-সাতটি মামলা রায়দান পর্যন্ত নিয়ে যেতে পেরেছি। আমাদের ট্রায়াল মনিটরিং টিম খুব ভালো কাজ করছে। এই কেসেও মাঝপথে বিচারপ্রক্রিয়া শ্লথ হয়ে গিয়েছিল। আমরা শেষ ছ’মাসে বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করার জন্য কাজ করেছি। তদন্তকারী আধিকারিকরা খুব ভালো কাজ করেছেন।



