নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: সোমবার হাঁসখালি গণধর্ষণ এবং কিশোরী খুনের মামলায় রানাঘাট মহকুমার বিশেষ পকসো আদালতে সাক্ষ্য দিলেন সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির দুই কর্তা। আদালত সূত্রে খবর, সাক্ষ্য দিতে দিল্লি থেকে উড়ে এসেছিলেন সিএফএসএল-এর দুই কর্তা, বিকে মহাপাত্র এবং একে ভাটি। তাঁরা তদন্তের রিপোর্ট পেশ করেন আদালতে।
Advertisement
সোমবার দুপুর বারোটা নাগাদ রানাঘাট মহকুমা আদালতের বিশেষ পকসো আদালতের বিচারক সৌমেন গুপ্তের এজলাসে শুরু হয় ওই সাক্ষ্যদান। সূত্রের খবর, এদিন বেলা প্রায় আড়াইটা পর্যন্ত চলে শুনানি। জানা গিয়েছে, যে ঘরে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে, সেই ঘটনাস্থল থেকে বিছানার চাদর, তোষক সহ একাধিক জিনিস উদ্ধার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। পরীক্ষার জন্য সেগুলিকেই এফএসএল-এ পাঠানো হয়েছিল। ওইসব নমুনার বেশকিছু জায়গায় স্কিন টিস্যু এবং রক্তের নমুনা মিলেছে। মৃতার বাবা-মায়ের সঙ্গে সেই নমুনা মিলে গিয়েছে হুবহু বলে দাবি। এরপর প্রশ্ন আসে, সংগৃহীত কোনও নমুনায় কি মিলেছিল ‘সিমেন’ অর্থাৎ বীর্যের উপস্থিতি? ধৃতের এক আইনজীবী অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
২০২২ সালের ৪ এপ্রিল নদীয়ার হাঁসখালি থানা এলাকায় এক নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠে। মৃত্যুর ৫ দিন পরে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথম রাজ্য পুলিস তদন্ত শুরু করলেও পরবর্তীতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার নেয় সিবিআই। ওই বছর ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হয় তদন্ত। ৮৫ দিনের মাথায় রানাঘাট আদালত এই গণধর্ষণ মামলার একটি ২০৯ পাতার চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই মূল অভিযুক্ত সোহেল গয়ালি ওরফে ব্রজ এবং প্রভাকর পোদ্দারকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। পরবর্তীতে এই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে গেলে তারা রঞ্জিত মল্লিক, দীপ্ত গয়ালী, আকাশ বাড়ুই, পীযূষকান্তি ভক্ত, অংশুমান বাগচী, সমরেন্দু গয়ালি ও এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করে। অবশ্য প্রভাকর ও ব্রজর পাশাপাশি মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয় রঞ্জিতকেও। পরবর্তীতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে শর্ত সাপেক্ষে জামিন পায় দীপ্ত, অংশুমান ও পীযূষ। এদিকে, সোমবার রানাঘাট মহকুমা আদালতে ফরেনসিকের তরফে জমা দেওয়ার রিপোর্ট কি মামলার মোড় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে চলেছে? ভাসছে প্রশ্ন।
২০২২ সালের ৪ এপ্রিল নদীয়ার হাঁসখালি থানা এলাকায় এক নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠে। মৃত্যুর ৫ দিন পরে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথম রাজ্য পুলিস তদন্ত শুরু করলেও পরবর্তীতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার নেয় সিবিআই। ওই বছর ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হয় তদন্ত। ৮৫ দিনের মাথায় রানাঘাট আদালত এই গণধর্ষণ মামলার একটি ২০৯ পাতার চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই মূল অভিযুক্ত সোহেল গয়ালি ওরফে ব্রজ এবং প্রভাকর পোদ্দারকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। পরবর্তীতে এই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে গেলে তারা রঞ্জিত মল্লিক, দীপ্ত গয়ালী, আকাশ বাড়ুই, পীযূষকান্তি ভক্ত, অংশুমান বাগচী, সমরেন্দু গয়ালি ও এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করে। অবশ্য প্রভাকর ও ব্রজর পাশাপাশি মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয় রঞ্জিতকেও। পরবর্তীতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে শর্ত সাপেক্ষে জামিন পায় দীপ্ত, অংশুমান ও পীযূষ। এদিকে, সোমবার রানাঘাট মহকুমা আদালতে ফরেনসিকের তরফে জমা দেওয়ার রিপোর্ট কি মামলার মোড় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে চলেছে? ভাসছে প্রশ্ন।



