নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: গত শিক্ষাবর্ষের তুলনায় এবছর বীরভূম জেলায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ। আজ, সোমবার জেলার ৯০টি পরীক্ষাকেন্দ্রে মোট ৩১ হাজার ৬০৫জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেবে। সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রেই কড়া পুলিসি নিরাপত্তা থাকবে। জেলা পুলিসের তরফে জানা গিয়েছে, প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে একজন অফিসার সহ দু’জন কনস্টেবল ও দু’জন লেডি কনস্টেবল উপস্থিত থাকবেন। পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার মুখেই তল্লাশির কাজে তাঁরা সহযোগিতা করবেন। এছাড়াও, যানজট সমস্যার জন্য যাতে একজন পরীক্ষার্থীকেও সমস্যায় পড়তে না হয়, সেদিকেও সতর্ক নজর রাখা হয়েছে। জেলার পুলিস সুপার আমনদীপ বলেন, পরীক্ষার্থীদের যাতে যানজট সমস্যার মুখোমুখি হতে না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হয়েছে। সেইসঙ্গে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রেও নির্দিষ্ট সংখ্যক অফিসার সহ কনস্টেবল মোতায়েন থাকবে।
এবছরই প্রথম সেমেস্টার পদ্ধতিতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হতে চলেছে। নয়া পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীরা উত্তরপত্র হিসেবে ওএমআর শিট ব্যবহার করবে। সংসদের নিয়ম অনুসারে এবছর পরীক্ষার্থীরা অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক গ্যাজেটের পাশাপাশি ক্যালকুলেটর নিয়েও পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে পারবে না। এবছর জেলায় ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। চলতি শিক্ষাবর্ষে মোট ছাত্রের সংখ্যা ১৪ হাজার ৫২ জন। ছাত্রী সংখ্যা ১৭ হাজার ৫৫৩ জন। জেলার তিন মহকুমার মধ্যে রামপুরহাটে এবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সব থেকে বেশি। ওই মহকুমায় এবছর ১৪ হাজার ৩৬২ জন পরীক্ষা দিতে চলেছে। সিউড়ি মহকুমায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা নয় হাজার ৭১৪ জন। বোলপুরে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সাত হাজার ৫২৯ জন।
এই প্রথম বর্ষার মরশুমে পরীক্ষা হতে চলেছে। সেক্ষেত্রে সংসদের নির্দেশ অনুসারে ‘হাইল্যান্ড এরিয়ার’ স্কুলগুলিকেই মূলত পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিগত বছরের মতো এবছরও প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। সেইসঙ্গে, টুকলি রুখতে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার মুখেই মেটাল ডিটেক্টরের ব্যবহার হবে। জেলা উচ্চ মাধ্যমিকের যুগ্ম আহ্বায়ক অভিজিৎ নন্দন বলেন, এবছরই প্রথম সেমেস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা হতে চলেছে।