সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: বছর শেষ। বার্ষিক পরীক্ষাও হয়ে গিয়েছে। স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি কম। এই অজুহাতে কয়েক দিন ধরে স্কুলের মিড ডে মিল বন্ধ রয়েছে। বদলে পড়ুয়াদের মাঝেমধ্যে দেওয়া হচ্ছে কেক ও বিস্কুট। এই অভিযোগ উঠেছে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের তুলসীহাটা সার্কেলের কাহাট্টা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা।
Advertisement
স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুরজিৎ দাস অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তবে অভিভাবকদের অভিযোগ, ৯ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্কুলে পরীক্ষা ছিল। তখন মাত্র একদিন মিড ডে মিল রান্না হয়েছে। পরীক্ষার পর ১১ দিন মিল বন্ধ রয়েছে। এমনকি শিক্ষকরাও অনিয়মিত স্কুল আসছেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। তাহলে মিড ডে মিলের বরাদ্দ চাল, ডাল কোথায় যাচ্ছে? হরিশ্চন্দ্রপুর-১ এর বিডিও সৌমেন মণ্ডল অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবক পার্বতী দাস বললেন, সরকারি নিয়মে মিড ডে মিলের খাবার দেওয়ার কথা। অথচ শিক্ষকরা খেয়ালখুশি মতো মিড ডে মিল দেন পড়ুয়াদের। পরীক্ষার পর ১১ দিন স্কুলে রান্না বন্ধ। মাঝেমধ্যে দেওয়া হয় কেক, বিস্কুট। শিক্ষকরা পালা করে স্কুল আসেন। আবার প্রধান শিক্ষক মাসের বেশিরভাগ দিন আসেন না। নানা অনিয়ম চলছে স্কুলে। বিদ্যালয়ের মিড ডে মিল রাঁধুনি বিচিত্রা দাসের কথায়, পরীক্ষার সময় একদিন রান্না হয়েছিল। তারপর আমাদের রান্নার জন্য আর ডাকেনি। তবে বাচ্চা কম থাকলে শিক্ষকরা ছাত্রদের বিস্কুট, কেক দেন।
প্রধান শিক্ষক সুরজিৎ দাসের দাবি, আমার স্কুলে ৮৫ জন পড়ুয়া। তিনজন শিক্ষক। উপস্থিতি কম থাকলেও মিড ডে মিল রান্না করাই। ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবক পার্বতী দাস বললেন, সরকারি নিয়মে মিড ডে মিলের খাবার দেওয়ার কথা। অথচ শিক্ষকরা খেয়ালখুশি মতো মিড ডে মিল দেন পড়ুয়াদের। পরীক্ষার পর ১১ দিন স্কুলে রান্না বন্ধ। মাঝেমধ্যে দেওয়া হয় কেক, বিস্কুট। শিক্ষকরা পালা করে স্কুল আসেন। আবার প্রধান শিক্ষক মাসের বেশিরভাগ দিন আসেন না। নানা অনিয়ম চলছে স্কুলে। বিদ্যালয়ের মিড ডে মিল রাঁধুনি বিচিত্রা দাসের কথায়, পরীক্ষার সময় একদিন রান্না হয়েছিল। তারপর আমাদের রান্নার জন্য আর ডাকেনি। তবে বাচ্চা কম থাকলে শিক্ষকরা ছাত্রদের বিস্কুট, কেক দেন।
প্রধান শিক্ষক সুরজিৎ দাসের দাবি, আমার স্কুলে ৮৫ জন পড়ুয়া। তিনজন শিক্ষক। উপস্থিতি কম থাকলেও মিড ডে মিল রান্না করাই। ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।



