সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: তিনমাস আগে ভালোবেসে বিয়ে। হরিশ্চন্দ্রপুরের সেই বালিকা বধূর দেহ শনিবার পাঞ্জাবের জলন্ধরে সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার করেছে নাঙ্গাল শামা থানার পুলিস। এই ঘটনায় স্বামী এবং দুই বন্ধুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের কতোল এলাকায়। খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছে গ্রামের বাসিন্দা স্বামী ফাইয়াজ আলি (১৮) ও তার দুই বন্ধু দৌলতপুর গ্রামের রমজান আলি (১৭) ও বৈজনাথপুরের নাবজুল আলি (১৬)।
Advertisement
পুলিস ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ছেলে ও মেয়ের পরিবার দীর্ঘ ২০ বছর পাঞ্জাবের জলন্ধরে ব্যবসা করে। তিন মাস আগে সেখানে ফাইয়াজের সঙ্গে বিয়ে হয় ওই নাবালিকার। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার স্বামী ফুচকা খাওয়ানোর নাম করে নিয়ে যায়। বাসস্থান থেকে তিন কিলোমিটার দূরে স্ত্রীর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে মেরে ফাইয়াজ জঙ্গলের মধ্যে পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ। শনিবার সেখানকার পুলিস বধূর দেহ উদ্ধার করে। মেয়ের বাবার কথায়, তিন মাস আগে মেয়ের বিয়ে হয়েছে। ছেলের পরিবারকে পণ হিসেবে ছয় লক্ষ টাকা দিয়েছিলাম। তবে ছেলের পরিবার বিয়েতে রাজি ছিল না। মেয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত। আমার কাছেই থাকত সে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফুচকা খাওয়ানোর নাম করে জামাই মেয়েকে নিয়ে যায়। সঙ্গে ছিল জামাইয়ের দুই বন্ধু। এরপর থেকেই মেয়ের হদিস মেলেনি। জামাইকে ফোন করলে বারেবারে কেটে দেয়। এতে সন্দেহ হয়। রাতেই স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করি। পুলিস শনিবার সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে মেয়ের দেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় ছেলের পরিবারের হাত রয়েছে। কেন মেয়েকে মারল বুঝতে পারছি না।



