সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: দুয়ারে রেশনের বদলে হাতে লেখা স্লিপ দেওয়ার অভিযোগ ডিলারের বিরুদ্ধে। হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের তুলসীহাট রেশনডিলার সঞ্জয় রামের বিরুদ্ধে উপভোক্তারা এই অভিযোগ তুলেছেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে খবর, হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের ভাটোল-চণ্ডীপুরা গ্রামের রেশন ডিলার জয় নারায়ণ আগরওয়ালার বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়মের অভিযোগে গত ২৪ জানুয়ারি তাকে সাসপেন্ড করেন জেলা খাদ্য নিয়ামক। সেই এলাকায় রেশন দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয় তুলসীহাটার রেশন ডিলার সঞ্জয় রামকে। এই মাস থেকে তিনি রেশন বিলি শুরু করেন। অভিযোগ, দুয়ারে রেশন না দিয়ে উল্টে, তার বদলে দুয়ারে গিয়ে হাতে লেখা স্লিপ ধরিয়ে দিচ্ছেন। যদিও রেশন ডিলার ই-পস মেশিন খারাপের অজুহাত দেখিয়েছেন।
এই প্রকল্প অনুযায়ী, সাধারণ গ্রাহকদের দুয়ারে রেশন সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কথা ডিলারদের। কিন্তু সরকারি নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দুয়ারে না গিয়ে দোকানে বসেই রেশন সামগ্রী দিচ্ছেন ডিলার। মহম্মদ রাকিব ও নৌসাদ আলি নামে উপভোক্তারা বলেন, এই রেশন ডিলার আগের ডিলারের মতোই আচরণ করছেন। এলাকায় গিয়ে ই-পস মেশিনে গ্রাহকদের ফিঙ্গার নিয়ে হাতে লেখা স্লিপ ধরিয়ে দিচ্ছেন। রেশন সামগ্রী আনতে ২ কিমি দূরে রেশন দোকানে যেতে হচ্ছে। অনলাইন স্লিপ চাইলে বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছেন ডিলার। তাকে বললেও কোনও কর্নপাত করছেন না। যদিও রেশন ডিলার সঞ্জয় রাম বলেন, ই-পস মেশিনটি ঠিকভাবে চলছে না। তাই হাতে লেখা স্লিপ দেওয়া হয়েছে। গ্রাহকরা অনলাইন স্লিপ চাইলে দিচ্ছি। দুয়ারে রেশন দিতে শুরু করব। চাঁচল মহকুমা খাদ্য সরবরাহ আধিকারিক লতিফুর জামাল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই প্রকল্প অনুযায়ী, সাধারণ গ্রাহকদের দুয়ারে রেশন সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কথা ডিলারদের। কিন্তু সরকারি নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দুয়ারে না গিয়ে দোকানে বসেই রেশন সামগ্রী দিচ্ছেন ডিলার। মহম্মদ রাকিব ও নৌসাদ আলি নামে উপভোক্তারা বলেন, এই রেশন ডিলার আগের ডিলারের মতোই আচরণ করছেন। এলাকায় গিয়ে ই-পস মেশিনে গ্রাহকদের ফিঙ্গার নিয়ে হাতে লেখা স্লিপ ধরিয়ে দিচ্ছেন। রেশন সামগ্রী আনতে ২ কিমি দূরে রেশন দোকানে যেতে হচ্ছে। অনলাইন স্লিপ চাইলে বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছেন ডিলার। তাকে বললেও কোনও কর্নপাত করছেন না। যদিও রেশন ডিলার সঞ্জয় রাম বলেন, ই-পস মেশিনটি ঠিকভাবে চলছে না। তাই হাতে লেখা স্লিপ দেওয়া হয়েছে। গ্রাহকরা অনলাইন স্লিপ চাইলে দিচ্ছি। দুয়ারে রেশন দিতে শুরু করব। চাঁচল মহকুমা খাদ্য সরবরাহ আধিকারিক লতিফুর জামাল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



