Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হরিশ্চন্দ্রপুরে আবাস তালিকায় রেশন ডিলারের নাম ঘিরে বিতর্ক, ক্ষোভ

হরিশ্চন্দ্রপুরে আবাস তালিকায় রেশন ডিলারের নাম ঘিরে বিতর্ক, ক্ষোভ
  • ২ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: সমীক্ষার পরেও আবাস যোজনা প্রাপকদের খসড়া তালিকায় নাম রয়ে গিয়েছে দোতলা পাকা বাড়ি থাকা রেশন ডিলারের। অথচ পুরনো তালিকায় থাকলেও খসড়ায় নেই কাঁচা বাড়ি থাকা উপভোক্তাদের একাংশের নাম।
Advertisement
হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের মালিওর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের সোনাকুল সহ একাধিক গ্রামে এই চিত্র দেখা দিয়েছে। যা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে এলাকায়। তালিকার এই ভ্রান্তি বিডিওর নজরে আসতেই শুরু হয়েছে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া। সোনাকুল গ্রামে আবাস তালিকায় দেখা গেল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা লুৎফুন্নসার দেওর রেশন ডিলার রফিকুল ইসলামের নাম রয়েছে। যাঁর দু’তলা বাড়ি। রফিকুলের দাবি, ২০১৮ সালের তালিকায় আমার নাম ছিল। তখন ডিলার ছিলাম না। এখনও কীভাবে নাম আছে বলতে পারব না। স্থানীয় বাসিন্দা জ্যোৎস্নারা খাতুন বলেন, স্বামী পরিযায়ী শ্রমিক। আমার কাঁচা বাড়ি আছে। পুরনো আবাস যোজনার তালিকায় নাম ছিল। এবার সার্ভে আধিকারিকরা বাড়িতে এসে সব দেখে গেলেও আমাদের নাম বাদ দিয়েছে।
জ্যোৎস্নারার অভিযোগ, স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা ১০ হাজার টাকা কাটমানি চেয়েছিলেন। আমি দিতে পারিনি বলে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। অথচ এলাকার রেশন ডিলার থেকে শুরু করে তৃণমূলের ওই পঞ্চায়েত সদস্যার আত্মীয়দের পাকা বাড়ি থাকলেও তাদের নাম রয়েছে তালিকায়। যদিও কাটমানির অভিযোগ প্রসঙ্গে পঞ্চায়েত সদস্য লুত্ফুন্নেসা বলেন, সমস্ত ভিত্তিহীন অভিযোগ। সব নিয়ম মেনেই হয়েছে।
হরিশ্চন্দ্রপুর মালিওর-২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বাবলি খাতুন বলেন, পাকা বাড়ি থাকা অনেকের নাম ছিল তালিকায়। সব নাম কাটা হলেও ডিলারের ক্ষেত্রে হয়তো কোনও ভুল হয়েছে।  বিডিও বিষয়টি দেখছেন।
বিডিও তাপস কুমার পালের মন্তব্য, সার্ভের সময় সমীক্ষকদের ভুল তথ্য দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তাই প্রাথমিক তালিকার পর অভিযোগের ভিত্তিতে সুপার চেকিং করে চূড়ান্ত তালিকা হবে। এরকম যাদের নাম থাকবে বাদ যাবে।
সম্পর্কিত সংবাদ