সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: হরিরামপুরে বাংলার বাড়ির নামে কাটমানি নেওয়ার ঘটনায় বিডিও’র ভূমিকায় ক্ষুব্ধ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। উপভোক্তাদের সঙ্গে নিয়ে তদন্তের গাফিলতির অভিযোগ করে এবার তিনি এসডিও’র দ্বারস্থ হলেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় কিস্তির টাকা অ্যাকাউন্টে দেওয়ার নামে হরিরামপুর ব্লকের মোবারকপুর ও কানাইপুর দুই সংসদের উপভোক্তাদের কাছে পাঁচ হাজার টাকা করে তোলেন সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যের স্বামী। এই ঘটনায় ওই উপভোক্তারা হরিরামপুরের বিডিও’র কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলেন। পাঁচদিন কেটে গেলেও বিডিও তদন্ত করেননি বলে দাবি তাঁদের। এবার বাসিন্দারা গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসক অভিষেক শুক্লার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
হরিরামপুরের বিডিও’র ভূমিকায় ক্ষুব্ধ তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রেমচাঁদ নুনিয়াও। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়ী নির্দল প্রার্থী অঞ্জলি সরকারের স্বামী ও স্থানীয় বিজেপি নেতা তাপস সরকার। বাংলার বাড়িতে দুর্নীতি ঠেকাতে কন্ট্রোল রুমে ফোন করে অভিযোগ করলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এক্ষেত্রে উপভোক্তারা গিয়ে অভিযোগ জানিয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে দাবি। উল্টে ১৮ ফেব্রুয়ারি বিডিও উপভোক্তাদের তিনদিনের সময় দিয়ে তথ্যপ্রমাণ সহ অভিযোগ করার চিঠি দিয়েছেন। ভিডিও ও কল রেকর্ডিং নেই বলে বিডিও’র কাছে কী প্রমাণ দেবেন, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন উপভোক্তারা। কানাইপুরের উপভোক্তা নন্দ সরকারের দাবি, আমাদের ভয় দেখিয়ে টাকা নেওয়া হয়েছে। তার কোনও প্রমাণ নেই আমাদের কাছে. প্রসাসন তদন্ত করলে আমরা সবাই সাক্ষী দেব ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। কিন্তু তদন্তই শুরু হচ্ছে না।
প্রেমচাঁদ বলেন, বাংলার বাড়ির নামে কাটমানির অভিযোগ শুনেছি। বিডিও অজানা কারণে অভিযুক্তকে আড়াল করার চেষ্টা করছেন। এনিয়ে এসডিও’র কাছে বিশদে জানানো হয়েছে। বিডিও প্রাথমিক তদন্ত কেন শুরু করেননি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
রাজ্যের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রর মন্তব্য, উপভোক্তারা যখন লিখিত অভিযোগ করেছেন, বিডিও তদন্ত শুরু করতে পারতেন। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি উপভোক্তাদের নিয়ে যখন এসডিও’র কাছে অভিযোগ করছেন, তখন বিষয়টি মারাত্মক।
গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসক অভিষেক শুক্লার কথায়, আমার দপ্তরে উপভোক্তারা অভিযোগ করলে দ্রুত ব্যবস্থা নেব। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। বিডিও অত্রী চক্রবর্তীকে ফোন ও মেসেজ করা হলেও তিনি উত্তর দেননি।
হরিরামপুরের বিডিও’র ভূমিকায় ক্ষুব্ধ তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রেমচাঁদ নুনিয়াও। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়ী নির্দল প্রার্থী অঞ্জলি সরকারের স্বামী ও স্থানীয় বিজেপি নেতা তাপস সরকার। বাংলার বাড়িতে দুর্নীতি ঠেকাতে কন্ট্রোল রুমে ফোন করে অভিযোগ করলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এক্ষেত্রে উপভোক্তারা গিয়ে অভিযোগ জানিয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে দাবি। উল্টে ১৮ ফেব্রুয়ারি বিডিও উপভোক্তাদের তিনদিনের সময় দিয়ে তথ্যপ্রমাণ সহ অভিযোগ করার চিঠি দিয়েছেন। ভিডিও ও কল রেকর্ডিং নেই বলে বিডিও’র কাছে কী প্রমাণ দেবেন, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন উপভোক্তারা। কানাইপুরের উপভোক্তা নন্দ সরকারের দাবি, আমাদের ভয় দেখিয়ে টাকা নেওয়া হয়েছে। তার কোনও প্রমাণ নেই আমাদের কাছে. প্রসাসন তদন্ত করলে আমরা সবাই সাক্ষী দেব ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। কিন্তু তদন্তই শুরু হচ্ছে না।
প্রেমচাঁদ বলেন, বাংলার বাড়ির নামে কাটমানির অভিযোগ শুনেছি। বিডিও অজানা কারণে অভিযুক্তকে আড়াল করার চেষ্টা করছেন। এনিয়ে এসডিও’র কাছে বিশদে জানানো হয়েছে। বিডিও প্রাথমিক তদন্ত কেন শুরু করেননি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
রাজ্যের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রর মন্তব্য, উপভোক্তারা যখন লিখিত অভিযোগ করেছেন, বিডিও তদন্ত শুরু করতে পারতেন। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি উপভোক্তাদের নিয়ে যখন এসডিও’র কাছে অভিযোগ করছেন, তখন বিষয়টি মারাত্মক।
গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসক অভিষেক শুক্লার কথায়, আমার দপ্তরে উপভোক্তারা অভিযোগ করলে দ্রুত ব্যবস্থা নেব। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। বিডিও অত্রী চক্রবর্তীকে ফোন ও মেসেজ করা হলেও তিনি উত্তর দেননি।



