সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: পাখির চোখ ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বিজেপি তাদের হারানো জমি ফিরে পেতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেছে। জঙ্গলমহলের কেন্দ্রবিন্দু ঝাড়গ্রাম জেলার দলের বিভিন্ন নেতৃত্বের কাজকর্ম মূল্যায়ন করতে গোপনে এলাকায় তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে অমিত শাহের রিসার্চ টিম। কিছুদিন আগে তারা ঝাড়গ্রাম এলাকায় তৃতীয় দফার সমীক্ষা করে গিয়েছে। কথা বলেছে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃত্বর সঙ্গে। এই নিয়ে বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত রায় বলেন, ব্যক্তিগত কোনও রিসার্চ টিম নয়, আমাদের দলের আইটি সেল, স্যোশাল মিডিয়ার লোকজন এই কাজ করছে। ওরা বিজেপিই কার্যকর্তা। যারা বলছেন, আমাদের সদস্য সংগ্রহ অভিযানে লোকজন সাড়া দিচ্ছে না, তা ঠিক নয়। ধান কাটার সময় চলছে। হাতির ভয় রয়েছে। এক একটা সংসদে তবুও ১০ থেকে ১৫ জন ভিড় করছে। সেটাই যথেষ্ট।
Advertisement
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির সমীক্ষার কাজে আসা দলটি আমেদাবাদ থেকে এসেছিল। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছে। তারা বিজেপির জেলা নেতাদের ভাবমূর্তি, জনসংযোগ সহ বিভিন্ন বিষয়ে রিপোর্ট সংগ্রহ করেছে।
বিজেপির অন্দরের খবর, তাদের ওই রিপোর্ট কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে পাঠানোর পর দলের জেলা নেতৃত্বের সাংগঠনিক পদের রদবদল হতে পারে। প্রসঙ্গত, গত লোকসভা নির্বাচনের আগে একইভাবে নিজেদের এজেন্সিকে কাজে লাগিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছিল বিজেপি। তবুও ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের কাছে তারা পরাজিত হয়েছে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনেও ঝাড়গাম জেলায় তাদের অস্তিত্ব তলানিতে ঠেকেছে। এমনকী, জেলায় সদস্য সংগ্রহ অভিযানে প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষকে ময়দানে নামিয়েও ভিড় জমাতে পারছে না বিজেপি। এই নিয়ে ঝাড়গ্রামের বিজেপির এক সক্রিয় কর্মী বলেন, জেলা নেতৃত্বের অহঙ্কার আর ঔদ্ধত্যের জন্য মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি আরও বলেন, অমিত শাহের রিসার্চ টিম আমার কাছেও এসেছিল। তারা জেলা নেতৃত্বের সম্পর্কে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে পাঠিয়েছে।
তবে বিজেপির এই কৌশল নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল শিবির। তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি প্রসূন ষড়ঙ্গী বলেন, আমরা শুনেছি ভোট এলেই বিজেপি নানা কৌশল অবলম্বন করে। তবে এসব করে তাদের মানুষের মন পাওয়া যাবে না। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জঙ্গলমহলে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নের মধ্যে দিয়ে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছেন। ফলে যে দলই যে কৌশল নিক ২০২৬এর বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার সমস্ত প্রার্থী জয়লাভ করবেন।
বিজেপির অন্দরের খবর, তাদের ওই রিপোর্ট কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে পাঠানোর পর দলের জেলা নেতৃত্বের সাংগঠনিক পদের রদবদল হতে পারে। প্রসঙ্গত, গত লোকসভা নির্বাচনের আগে একইভাবে নিজেদের এজেন্সিকে কাজে লাগিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছিল বিজেপি। তবুও ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের কাছে তারা পরাজিত হয়েছে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনেও ঝাড়গাম জেলায় তাদের অস্তিত্ব তলানিতে ঠেকেছে। এমনকী, জেলায় সদস্য সংগ্রহ অভিযানে প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষকে ময়দানে নামিয়েও ভিড় জমাতে পারছে না বিজেপি। এই নিয়ে ঝাড়গ্রামের বিজেপির এক সক্রিয় কর্মী বলেন, জেলা নেতৃত্বের অহঙ্কার আর ঔদ্ধত্যের জন্য মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি আরও বলেন, অমিত শাহের রিসার্চ টিম আমার কাছেও এসেছিল। তারা জেলা নেতৃত্বের সম্পর্কে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে পাঠিয়েছে।
তবে বিজেপির এই কৌশল নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল শিবির। তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি প্রসূন ষড়ঙ্গী বলেন, আমরা শুনেছি ভোট এলেই বিজেপি নানা কৌশল অবলম্বন করে। তবে এসব করে তাদের মানুষের মন পাওয়া যাবে না। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জঙ্গলমহলে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নের মধ্যে দিয়ে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছেন। ফলে যে দলই যে কৌশল নিক ২০২৬এর বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার সমস্ত প্রার্থী জয়লাভ করবেন।



