সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: আদিনা ফরেস্টের হরিণের সংখ্যা বেড়েছে। সেখান থেকে হরিণগুলিকে বক্সাব্যাঘ্র প্রকল্প সহ বিভিন্ন ফরেস্টে পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই ব্যাপারে সম্প্রতি স্থানীয় রেঞ্জ বনদপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে। যদিও বনদপ্তর কোনও নির্দেশ দেয়নি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সবুজ সঙ্কেত দিলে আদিনা থেকে হরিণগুলিকে উত্তরের অন্য ফরেস্টে পাঠানোর তোড়জোর শুরু হয়ে যাবে। তবে কতগুলি হরিণকে কোন ফরেস্টে পাঠানো হবে, এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তারা এখনই কিছু বলতে রাজি হননি। গাজোলের রেঞ্জার লতিব শেখ বলেন, আমাদের আদিনায় হরিণের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। সেজন্য সেগুলিকে বাইরের ফরেস্টে পাঠালে সুবিধা হবে। আমরা মাস খানেক আগে দপ্তরকে চিঠি করেছি। নির্দেশ এলে হরিণগুলো পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
Advertisement
বনদপ্তর এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে আদিনা ফরেস্টে মাত্র ২৫টি হরিণ ছিল। তবে এখন হরিণের সংখ্যা প্রায় ৯৫ এর বেশি। এর মধ্যে মেয়ে হরিণ রয়েছে ৫০টিরও বেশি। তারমধ্যে হরিণ শাবক রয়েছে।
বাইরের থেকে হরিণ আদিনায় নিয়ে আসা হয় না। সদ্যজাত হরিণকে অন্য হরিণগুলি আগলে রাখে। সব হরিণগুলি প্রাকৃতিক উপায়ে ভূমিষ্ট হয়েছে। ধাপে ধাপে একই পদ্বতিতে বড় হয়েছে। শীতের মরশুমেও হরিণগুলি পরিবেশের সঙ্গে খাপখাইয়ে জীবন উপভোগ করছে। তাদের খাবারে বিশেষ কোনও পরিবর্তন করা হয় না। নিয়ম মেনে সকালে ছোলা, গম ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তারপর এবং বিকেলে ঘাসপাতা দেওয়া হয়।
এদিন আদিনা ফরেস্টের এক আধিকারিক বলেন, আদিনা বড় ফরেস্ট। এখানে প্রাকৃতিক উপায় হরিণের জন্ম হয়। খুবই কম ফরেস্টে এমন হয়। সবগুলি হরিণ এখন সুস্থ আছে।
শীতের মরশুম আসছে। পরিযায়ী পাখি কিছু এসেছিল। হবিবপুরের এক পর্যটক তপন সিংহ বলেন, আমরা প্রতি বছর শীতের সময় আদিনায় পিকনিকে যায়। হরিণ দেখার জন্য সেখানে ভিড় হয়। এবারও জানুয়ারিতে যাবার কথা চলছে।
বাইরের থেকে হরিণ আদিনায় নিয়ে আসা হয় না। সদ্যজাত হরিণকে অন্য হরিণগুলি আগলে রাখে। সব হরিণগুলি প্রাকৃতিক উপায়ে ভূমিষ্ট হয়েছে। ধাপে ধাপে একই পদ্বতিতে বড় হয়েছে। শীতের মরশুমেও হরিণগুলি পরিবেশের সঙ্গে খাপখাইয়ে জীবন উপভোগ করছে। তাদের খাবারে বিশেষ কোনও পরিবর্তন করা হয় না। নিয়ম মেনে সকালে ছোলা, গম ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তারপর এবং বিকেলে ঘাসপাতা দেওয়া হয়।
এদিন আদিনা ফরেস্টের এক আধিকারিক বলেন, আদিনা বড় ফরেস্ট। এখানে প্রাকৃতিক উপায় হরিণের জন্ম হয়। খুবই কম ফরেস্টে এমন হয়। সবগুলি হরিণ এখন সুস্থ আছে।
শীতের মরশুম আসছে। পরিযায়ী পাখি কিছু এসেছিল। হবিবপুরের এক পর্যটক তপন সিংহ বলেন, আমরা প্রতি বছর শীতের সময় আদিনায় পিকনিকে যায়। হরিণ দেখার জন্য সেখানে ভিড় হয়। এবারও জানুয়ারিতে যাবার কথা চলছে।



