রাজদীপ গোস্বামী, শালবনী: হীরক জয়ন্তীবর্ষে গ্রামের বিদ্যালয়কে অডিটোরিয়াম উপহার দিলেন প্রাক্তনীরা। শালবনী ব্লকের পিড়াকাটা উচ্চবিদ্যালয়ে অডিটোরিয়াম তৈরির কাজ খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে। প্রাক্তন পড়ুয়াদের এই উদ্যোগে খুবই খুশি স্কুল কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
২১ জানুয়ারি এই স্কুলের হীরকজয়ন্তী বর্ষপূর্তি হয়েছে। সেই উপলক্ষ্যে তিনদিন ধরে বিদ্যালয়ে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছিল। বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে স্কুলের পড়ুয়াদের তৈরি মডেল ও হস্তশিল্পের প্রদর্শনী বিশেষ নজর কাড়ে। তবে এই উৎসবে অন্য মাত্রা যোগ করে প্রাক্তনীদের পুনর্মিলন অনুষ্ঠান। এবারই প্রথম পুনর্মিলন অনুষ্ঠান হয়েছে স্কুলে। সেখানে প্রাক্তনীরা স্কুলের পাশে এসে দাঁড়ানোয় এলাকার বাসিন্দারা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। ইতিমধ্যেই প্রাক্তনীদের তরফে স্কুল কর্তৃপক্ষের হাতে পাঁচ লক্ষ টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী তথা স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি পিন্টু ওঝা বলেন, প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে স্কুলের পাশে থাকতে পেরে আমরা গর্বিত।
প্রাক্তনীদের তরফে প্রণব লাহা বলেন, আমাদের মূলমন্ত্র ঐক্য। প্রাক্তন পড়ুয়ারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হলেও ছোটবেলার গ্রামের স্কুলকে ভুলে যাননি। সবার সহযোগিতা ছাড়া এত বড় পদক্ষেপ করা সম্ভব হতো না। প্রাক্তন পড়ুয়ারা সর্বদা স্কুলের পাশে থাকবে। বিদ্যালয়ের টিআইসি অতনু মণ্ডল বলেন, প্রাক্তনীরা দেশবিদেশে প্রতিষ্ঠিত। তাঁরা পাশে এসে দাঁড়ানোয় আমি খুব খুশি। স্কুলে অডিটোরিয়াম হলে খুবই উপকার হবে। ১৯৬৫ সালে চারপাশে ঝোপজঙ্গলের মাঝে একটি কুঁড়েঘরে দু’একজন আংশিক সময়ের শিক্ষক নিয়ে এই উচ্চবিদ্যালয়ের পথচলা শুরু হয়েছিল। মাওবাদী আন্দোলনের সময়ও স্কুল নিজের গতিতে এগিয়ে গিয়েছে। অসংখ্য গ্রামের মানুষের ভরসার জায়গা ছিল এই স্কুল। তবে গত কয়েকবছরে স্কুলের পরিকাঠামোয় বিপুল পরিবর্তন হয়েছে। সূচনালগ্নে স্কুলে একটাই ক্লাসরুম ছিল। সেই ঘরকে দু’ভাগে ভাগ করে পড়াশোনা চলত। পঞ্চম-ষষ্ঠ শ্রেণিতে স্কুলের মাসিক বেতন ছিল ৩ টাকা। সপ্তম-অষ্টম শ্রেণির বেতন ছিল ৩ টাকা ৭৫ পয়সা। নবম-দশম শ্রেণির বেতন ছিল ৪ টাকা ২৫ পয়সা। কিন্তু তখন আর্থিক অনটনের জেরে অনেকেই স্কুলে ভর্তি হতে পারত না। তাই সাইকেল চালিয়ে গ্রামে গ্রামে পড়ুয়া খুঁজতেন শিক্ষকরা।
স্কুলের সূচনালগ্নের অঙ্কের শিক্ষক সুনীলকুমার ঘোষ। তিনি বলেন, সেই প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের চোখের সামনে দেখে আবেগ ধরে রাখতে পারছি না। তাঁদের ভালোবাসা চিরকাল মনে থেকে যাবে।
হীরকজয়ন্তী বর্ষ উপলক্ষ্যে স্কুলে রক্তদান শিবির, ছাত্রছাত্রী, প্রাক্তনী ও কলকাতার শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠান হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী ও প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র সুবোধ মাহাত বলেন, আমাদের স্কুল এখন অনেক সমৃদ্ধ হয়েছে। প্রাক্তনীদের উদ্যোগে আগামী দিনে নানা সমাজকল্যাণমূলক কাজ করা হবে।-নিজস্ব চিত্র
প্রাক্তনীদের তরফে প্রণব লাহা বলেন, আমাদের মূলমন্ত্র ঐক্য। প্রাক্তন পড়ুয়ারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হলেও ছোটবেলার গ্রামের স্কুলকে ভুলে যাননি। সবার সহযোগিতা ছাড়া এত বড় পদক্ষেপ করা সম্ভব হতো না। প্রাক্তন পড়ুয়ারা সর্বদা স্কুলের পাশে থাকবে। বিদ্যালয়ের টিআইসি অতনু মণ্ডল বলেন, প্রাক্তনীরা দেশবিদেশে প্রতিষ্ঠিত। তাঁরা পাশে এসে দাঁড়ানোয় আমি খুব খুশি। স্কুলে অডিটোরিয়াম হলে খুবই উপকার হবে। ১৯৬৫ সালে চারপাশে ঝোপজঙ্গলের মাঝে একটি কুঁড়েঘরে দু’একজন আংশিক সময়ের শিক্ষক নিয়ে এই উচ্চবিদ্যালয়ের পথচলা শুরু হয়েছিল। মাওবাদী আন্দোলনের সময়ও স্কুল নিজের গতিতে এগিয়ে গিয়েছে। অসংখ্য গ্রামের মানুষের ভরসার জায়গা ছিল এই স্কুল। তবে গত কয়েকবছরে স্কুলের পরিকাঠামোয় বিপুল পরিবর্তন হয়েছে। সূচনালগ্নে স্কুলে একটাই ক্লাসরুম ছিল। সেই ঘরকে দু’ভাগে ভাগ করে পড়াশোনা চলত। পঞ্চম-ষষ্ঠ শ্রেণিতে স্কুলের মাসিক বেতন ছিল ৩ টাকা। সপ্তম-অষ্টম শ্রেণির বেতন ছিল ৩ টাকা ৭৫ পয়সা। নবম-দশম শ্রেণির বেতন ছিল ৪ টাকা ২৫ পয়সা। কিন্তু তখন আর্থিক অনটনের জেরে অনেকেই স্কুলে ভর্তি হতে পারত না। তাই সাইকেল চালিয়ে গ্রামে গ্রামে পড়ুয়া খুঁজতেন শিক্ষকরা।
স্কুলের সূচনালগ্নের অঙ্কের শিক্ষক সুনীলকুমার ঘোষ। তিনি বলেন, সেই প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের চোখের সামনে দেখে আবেগ ধরে রাখতে পারছি না। তাঁদের ভালোবাসা চিরকাল মনে থেকে যাবে।
হীরকজয়ন্তী বর্ষ উপলক্ষ্যে স্কুলে রক্তদান শিবির, ছাত্রছাত্রী, প্রাক্তনী ও কলকাতার শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠান হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী ও প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র সুবোধ মাহাত বলেন, আমাদের স্কুল এখন অনেক সমৃদ্ধ হয়েছে। প্রাক্তনীদের উদ্যোগে আগামী দিনে নানা সমাজকল্যাণমূলক কাজ করা হবে।-নিজস্ব চিত্র



