সংবাদদাতা, বহরমপুর: হরিহরপাড়া ও খড়গ্রাম থানা এলাকায় দু’জন নিখোঁজ ব্যক্তির পচাগলা দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়াল। হরিহরপাড়া থানা এলাকায় মৃত ব্যক্তির নাম সজব আলি(৪৫)। বাড়ি মামদালিপুরে। খড়গ্রাম থানার নগর বাজারপাড়ায় মৃতের নাম তারকনাথ সিংহ(৩২)। দুই মৃতের পরিবারই খুনের সন্দেহ করছে। তবে এখনও অবধি কোনও পরিবারই খুনের অভিযোগ দায়ের করেনি। দু’টি থানার পুলিস জানিয়েছে, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
Advertisement
মামদালিপুরের বাসিন্দা সজব আলি পেশায় গাড়ি ব্যবসায়ী। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, নয়দিন আগে একটি ফোন পেয়ে তিনি বেরিয়ে যান। সেদিন থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের তরফে হরিহরপাড়া থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়েছিল। রবিবার সকালে বাড়ি থেকে ১০০ মিটার দূরে গাড়িনামা থেকে তাঁর পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিস।
মৃতের বাবা সিরাজুল মণ্ডল বলেন, আমরা দু’জন মাঠে ছিলাম। সেসময় ছেলের মোবাইলে ফোন আসে। এরপরই ছেলে বাড়ি ফিরে জামাপ্যান্ট বদলে বেরিয়ে যায়। রবিবার সকালে বাড়িতে ফোন করে একজন ছেলের মৃত্যুর খবর জানায়।
সজবের পরিবারের প্রশ্ন, যেখানে দেহ পড়েছিল, তার আশপাশে প্রচুর চায়ের দোকান। রাত পর্যন্ত আড্ডা চলে। এতদিন দেহ পড়ে থাকলে কারও নজরে পড়ল না? মৃতের ভাই মাজিবুর রহমান বলেন, ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যুর কথা বলা হচ্ছে। তাহলে দু’পায়ে জুতো স্বাভাবিক অবস্থায় কেন রয়েছে? সেদিন থেকে মোবাইলের সুইচ অফ কেন? আমাদের অনুমান, দাদার মৃত্যুর পিছনে অন্য কারণ রয়েছে। নগর বাজারপাড়ার বাসিন্দা তারকনাথবাবু পেশায় গ্যাস ব্যবসায়ী ছিলেন। শনিবার দুপুরে বাড়ি থেকে ৫০০মিটার দূরে গ্যাস গোডাউনে তাঁর পচাগলা ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিস। মৃতের আত্মীয় অতনু দত্ত বলেন, বুধবার থেকে ফোন সুইচড অফ ছিল। বৃহস্পতিবার রাত ১১টা নাগাদ ফোন বাজলেও কেউ ওঠায়নি। কীভাবে এঘটনা ঘটল-আমরা বুঝতে পারছি না। আমাদের অনুমান, এর পিছনে কোনও রহস্য আছে।
মৃতের বাবা সিরাজুল মণ্ডল বলেন, আমরা দু’জন মাঠে ছিলাম। সেসময় ছেলের মোবাইলে ফোন আসে। এরপরই ছেলে বাড়ি ফিরে জামাপ্যান্ট বদলে বেরিয়ে যায়। রবিবার সকালে বাড়িতে ফোন করে একজন ছেলের মৃত্যুর খবর জানায়।
সজবের পরিবারের প্রশ্ন, যেখানে দেহ পড়েছিল, তার আশপাশে প্রচুর চায়ের দোকান। রাত পর্যন্ত আড্ডা চলে। এতদিন দেহ পড়ে থাকলে কারও নজরে পড়ল না? মৃতের ভাই মাজিবুর রহমান বলেন, ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যুর কথা বলা হচ্ছে। তাহলে দু’পায়ে জুতো স্বাভাবিক অবস্থায় কেন রয়েছে? সেদিন থেকে মোবাইলের সুইচ অফ কেন? আমাদের অনুমান, দাদার মৃত্যুর পিছনে অন্য কারণ রয়েছে। নগর বাজারপাড়ার বাসিন্দা তারকনাথবাবু পেশায় গ্যাস ব্যবসায়ী ছিলেন। শনিবার দুপুরে বাড়ি থেকে ৫০০মিটার দূরে গ্যাস গোডাউনে তাঁর পচাগলা ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিস। মৃতের আত্মীয় অতনু দত্ত বলেন, বুধবার থেকে ফোন সুইচড অফ ছিল। বৃহস্পতিবার রাত ১১টা নাগাদ ফোন বাজলেও কেউ ওঠায়নি। কীভাবে এঘটনা ঘটল-আমরা বুঝতে পারছি না। আমাদের অনুমান, এর পিছনে কোনও রহস্য আছে।



