সংবাদদাতা, বহরমপুর: হরিহরপাড়া ও বহরমপুরে অবসাদে আত্মঘাতী হলেন দুই ব্যক্তি। হরিহরপাড়ার হুমাইপুরে আসরাফুল শেখ(৩৮) নামে এক ব্যক্তি কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ছয়মাস আগে তাঁর একমাত্র মেয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। দু’মাস আগে স্ত্রী প্রেমিকের হাত ধরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। জোড়া ধাক্কা সহ্য করতে না পেরে অবসাদে আত্মঘাতী হন ওই যুবক। হরিহরপাড়া থানার পুলিস জানিয়েছে, কোনও অভিযোগ হয়নি। একটি আস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে।
Advertisement
ছয়মাস আগে আসরাফুলের ১৪বছরের মেয়ে অবসাদে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন। সেই ধাক্কা কাটানোর আগেই দু’মাস আগে গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে চলে যান আসরাফুলের স্ত্রী সাহিনুর বিবি। তারপর থেকে পেশায় দিনমজুর আসরাফুল মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। সোমবার রাত ৮টা নাগাদ তিনি কীটনাশক খেয়েই বাড়ি ফেরেন। নিজেই পরিবারের লোকদের সেকথা জানান। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই সোমবার রাত ১টা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের ভাই রেফাজুল শেখ বলেন, পরপর দু’টি ঘটনায় দাদা অবসাদে ভুগছিল। মানসিক যন্ত্রণা থেকেই আত্মঘাতী হয়েছে।
বিয়ের একবছরের মধ্যে অবসাদে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক বাইক মেকানিক। বহরমপুর থানার বাজারপাড়ায় এঘটনা ঘটেছে। মৃতের নাম আক্কাস শেখ(২৪)। সোমবার রাতে তিনি নিজের ঘরে গলায় ফাঁস দেন। সকালে তাঁর স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে স্বামীর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। পুলিস গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। ওই যুবক বহরমপুর গির্জার মোড়ে একটি বাইকের গ্যারাজ চালাতেন। মৃতের আত্মীয় শেখায়ত শেখ বলেন, কয়েকদিন ধরে মানসিক চাপে ভুগছিল। কিন্তু তার কারণ আমরা জানি না।
বিয়ের একবছরের মধ্যে অবসাদে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক বাইক মেকানিক। বহরমপুর থানার বাজারপাড়ায় এঘটনা ঘটেছে। মৃতের নাম আক্কাস শেখ(২৪)। সোমবার রাতে তিনি নিজের ঘরে গলায় ফাঁস দেন। সকালে তাঁর স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে স্বামীর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। পুলিস গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। ওই যুবক বহরমপুর গির্জার মোড়ে একটি বাইকের গ্যারাজ চালাতেন। মৃতের আত্মীয় শেখায়ত শেখ বলেন, কয়েকদিন ধরে মানসিক চাপে ভুগছিল। কিন্তু তার কারণ আমরা জানি না।



