নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান ও সংবাদদাতা, কাটোয়া: সর্বভারতীয় জয়েন্ট এন্ট্রান্স (মেইনস) পরীক্ষায় রাজ্যে প্রথম হলেন কাটোয়ার দেবদত্তা মাজি। তিনি কাটোয়ার দুর্গাদাসী চৌধুরানি বালিকা বিদালয়ের ছাত্রী। ২০২৩ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষাতেও তিনি নজর কেড়েছিলেন। সেবারও কাটোয়ার বিদ্যাসাগরপল্লির বাসিন্দা এই ছাত্রী ৬৯৭ নম্বর পেয়ে রাজ্যে প্রথম হয়েছিলেন। জয়েন্ট এন্ট্রান্সে দেবদত্তা ৯৯.৯৯ শতাংশ স্কোর করেছেন। ধারাবাহিকভাবে সাফল্য ধরে রেখে তিনি দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন। তাঁর বাবা জয়ন্তকুমার মাজি। তিনি কলেজে পড়ান। মা শেলি দাঁ স্কুল শিক্ষিকা।
Advertisement
দেবদত্তা বলেন, সামনেই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা রয়েছে। তারজন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছি। এছাড়া জয়েন্টের জন্য অনলাইনে কোচিং নিচ্ছিলাম। দিনে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা পড়াশোনা করেছি। পড়াশোনার মধ্যে থাকলেই ভালো ফল করা যায়। বাইরে কোথাও কোচিং নিতে যাইনি। অনলাইনে পড়াশোনা করেছি। তিনি আরও বলেন, মাধ্যমিকের পর অনেকে পড়াশোনার সময় কমিয়ে দেয়। কিন্তু আমি সেটা করিনি। পড়াশোনার জন্য একই সময় দিতাম। উচ্চমাধ্যমিকের সিলেবাসের পাশাপাশি জয়েন্টের জন্য আলাদা সময় বের করে পড়াশোনা করেছি। ভালোভাবে পড়াশোনা করলে যেকেউ ভালো ফল করতে পারে।
দেবদত্তা বলেন, জয়েন্টে পরীক্ষা ভালো হয়েছিল। তাই ভালো ফল হবে আশা করেছিলাম। প্রথম হওয়ার আশাও ছাড়িনি। আগামী দিনেও সাফল্য ধরে রাখতে চাই।
মেয়ের সাফল্যে খুশি মা। তিনি বলেন, সামনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা রয়েছে। সেই পরীক্ষাতেও ভালো ফল করার টার্গেট রয়েছে মেয়ের। তারজন্য এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে। মেয়ে প্রথম থেকেই পড়াশোনায় ভালো। ওকে পড়তে বসার জন্য কোনওদিনই বলতে হয়নি। সিলেবাসের পড়াশোনার পাশাপাশি জয়েন্টের প্রস্তুতি নেওয়া সহজ নয়। কিন্তু ওকে কখনই চাপ নিতে দেখিনি। ওর আইআইটিতে পড়াশোনা করার ইচ্ছে রয়েছে।
তাঁর বিদালয়ের প্রধান শিক্ষিকা স্নিগ্ধা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দেবদত্তা অত্যন্ত মেধাবী। বরাবরই ভালো ফল করে আসছে। আগামী দিনেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। ওকে দেখে অন্যরাও উৎসাহ পাচ্ছে।
দেবদত্তা বলেন, জয়েন্টে পরীক্ষা ভালো হয়েছিল। তাই ভালো ফল হবে আশা করেছিলাম। প্রথম হওয়ার আশাও ছাড়িনি। আগামী দিনেও সাফল্য ধরে রাখতে চাই।
মেয়ের সাফল্যে খুশি মা। তিনি বলেন, সামনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা রয়েছে। সেই পরীক্ষাতেও ভালো ফল করার টার্গেট রয়েছে মেয়ের। তারজন্য এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে। মেয়ে প্রথম থেকেই পড়াশোনায় ভালো। ওকে পড়তে বসার জন্য কোনওদিনই বলতে হয়নি। সিলেবাসের পড়াশোনার পাশাপাশি জয়েন্টের প্রস্তুতি নেওয়া সহজ নয়। কিন্তু ওকে কখনই চাপ নিতে দেখিনি। ওর আইআইটিতে পড়াশোনা করার ইচ্ছে রয়েছে।
তাঁর বিদালয়ের প্রধান শিক্ষিকা স্নিগ্ধা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দেবদত্তা অত্যন্ত মেধাবী। বরাবরই ভালো ফল করে আসছে। আগামী দিনেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। ওকে দেখে অন্যরাও উৎসাহ পাচ্ছে।



