নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: লড়াইয়ের ময়দানে হেরে গিয়েও রেহাই নেই। হেরে যাওয়া কাড়াকে (মোষ) লড়াইয়ের ময়দান ছাড়া তো করলই, তারপরেও প্রায় ১০ কিলোমিটার দৌড় করাল বিজয়ী কাড়া। তাতেই যেন মিটল না রাগ! তারপর বীরের মর্যাদায় বাড়ি ফিরল ‘চ্যাম্পিয়ন’। ইতিমধ্যেই কাড়া দৌড়ের এই ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।
Advertisement
প্রশাসন নিষিদ্ধ করলেও আজও পুরুলিয়ায় রমরমিয়ে চলে মানভূম সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান অঙ্গ ‘কাড়া লড়াই।’ আদিমতম খেলা কাড়া লড়াই বন্ধ করতে প্রশাসনের চেষ্টা, অন্যদিকে এই সংস্কৃতিকে যাতে কোনওভাবেই বন্ধ না করা যায় তার জন্য ভূমিপুত্রদের লড়াই-এই দুয়ের প্রবল দ্বন্দ্বে জয় হয় সংস্কৃতিরই। সাবেক মানভূম জেলার (যার খানিকটা অংশ ঝাড়খণ্ডে রয়েছে) বিভিন্ন স্থানে এখনও কাড়া লড়াই হয়ে থাকে। কাড়া লড়াইয়ের মাঠে হাজির থেকে গা গরম করার মধ্যেও যেন একটা আলাদা আনন্দ লুকিয়ে আছে। তাই বিপজ্জনক এই কাড়ার লড়াই দেখতে ভিড় জমান হাজার হাজার মানুষ। কাড়া লড়াই করাতে গিয়ে বহু মানুষের মৃত্যুও হয়। কিন্তু, তাতেও বন্ধ হয় না লড়াই। মানভূমের বাসিন্দাদের রক্তে যেন এই উন্মাদনা মিশে আছে। কাড়ার জন্য লক্ষাধিক টাকার বাজি ধরেন দর্শকরা। লড়াইয়ের জন্য সারাবছর ধরে কাড়াটিকে পরিচর্যা করতে হয়। সপ্তাহে তিনদিন তেল মাখিয়ে স্নান করানো হয়। লাগানো হয় না চাষের কাজেও।
গত বৃহস্পতিবার এমনই কাড়া লড়াইয়ের আসর বসেছিল মানবাজার-২ ব্লকের আঁকরোতে। লড়াই দেখতে পার্শ্ববর্তী ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা থেকেই হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমিয়েছিলেন। শুরু হয় কাড়া লড়াই। ধুলোয় ঢেকে যায় মাঠ। দুই কাড়ার মধ্যে দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে লড়াই। তারপরেই এক কাড়া লেজ গুটিয়ে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যায়। কিন্তু, লড়াই করে তখনও যেন আশ মেটেনি বিজয়ীর। হেরে যাওয়া কাড়ার পিছনে ধাওয়া শুরু করে বিজয়ী কাড়া। মাঠ থেকে দু’কিলোমিটার দূরেই মানবাজার-বান্দোয়ান রাজ্য সড়ক। দু’টি কাড়া সেখানে উঠে যায়। কাড়াকে বাগে আনতে লাঠি নিয়ে পিছনে ছুটতে থাকেন রসিক। ছুটতে থাকে কৌতূহলী দর্শকরা। অবশেষে মাঠ থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে বান্দোয়ানের কাছে বিজয়ী কাড়াকে ধরতে সক্ষম হন রসিক। এই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকে বলছেন, যদি কোনও মানুষের দুর্ঘটনা ঘটে যেত? তাহলে কী হতো? তাছাড়া কাড়া লড়াই আয়োজন করার তো অনুমতি ছিল না! অবশ্য মাঠ কমিটির মতে, আমরা তো পুরুলিয়ার লোক সংস্কৃতির ঐতিহ্য ধরে খেলার আয়োজন করেছি। এর জন্য আবার অনুমতি কীসের। বাস্তবিকই এসব অনুমতির বালাই বোধ করেন না পুরুলিয়ার মানুষ!
গত বৃহস্পতিবার এমনই কাড়া লড়াইয়ের আসর বসেছিল মানবাজার-২ ব্লকের আঁকরোতে। লড়াই দেখতে পার্শ্ববর্তী ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা থেকেই হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমিয়েছিলেন। শুরু হয় কাড়া লড়াই। ধুলোয় ঢেকে যায় মাঠ। দুই কাড়ার মধ্যে দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে লড়াই। তারপরেই এক কাড়া লেজ গুটিয়ে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যায়। কিন্তু, লড়াই করে তখনও যেন আশ মেটেনি বিজয়ীর। হেরে যাওয়া কাড়ার পিছনে ধাওয়া শুরু করে বিজয়ী কাড়া। মাঠ থেকে দু’কিলোমিটার দূরেই মানবাজার-বান্দোয়ান রাজ্য সড়ক। দু’টি কাড়া সেখানে উঠে যায়। কাড়াকে বাগে আনতে লাঠি নিয়ে পিছনে ছুটতে থাকেন রসিক। ছুটতে থাকে কৌতূহলী দর্শকরা। অবশেষে মাঠ থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে বান্দোয়ানের কাছে বিজয়ী কাড়াকে ধরতে সক্ষম হন রসিক। এই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকে বলছেন, যদি কোনও মানুষের দুর্ঘটনা ঘটে যেত? তাহলে কী হতো? তাছাড়া কাড়া লড়াই আয়োজন করার তো অনুমতি ছিল না! অবশ্য মাঠ কমিটির মতে, আমরা তো পুরুলিয়ার লোক সংস্কৃতির ঐতিহ্য ধরে খেলার আয়োজন করেছি। এর জন্য আবার অনুমতি কীসের। বাস্তবিকই এসব অনুমতির বালাই বোধ করেন না পুরুলিয়ার মানুষ!



