চেন্নাই সুপার কিংস
মোট ক্রিকেটার ২৫, বিদেশি ৮
হাতে ছিল ৪৩.৪০ কোটি টাকা। দুই ‘আনক্যাপড’ প্রশান্ত বীর ও কার্তিক শর্মাকে নেওয়া হয় ১৪.২ কোটি টাকায়, যা রেকর্ড। হিসাব পরিষ্কার, অভিজ্ঞতায় ভরসা রাখার নীতি পাল্টে তারুণ্যে বিনিয়োগ করছে সিএসকে। ম্যাট হেনরি, আকিল হোসেন, সরফরাজ খান, ম্যাথু শর্ট, জ্যাক ফাউলকেস, রাহুল চাহার, আমন খানকেও নেয় চেন্নাই।
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু
মোট ক্রিকেটার ২৫, বিদেশি ৮
হাতে ছিল ২৩.৫ কোটি টাকা। সাত কোটি টাকায় বেঙ্কটেশ আয়ারকে নেয় গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। পেসার জেকব ডাফিকে নেওয়া হয় জস হ্যাজলউডের বিকল্প হিসেবে। ঘণ্টায় ১৪০ কিমি গতির মঙ্গেশ যাদবও এসেছেন দলে। এছাড়াও ভিহান মালহোত্রা, জর্ডন কক্স, সাত্ত্বিক দেশওয়াল, ভিকি অস্টওয়াল, কণিষ্ক চৌহানকে নিয়েছে আরসিবি।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদ
মোট ক্রিকেটার ২৫, বিদেশি ৮
লিয়াম লিভিংস্টোনকে ১৩ কোটি টাকায় নেওয়ার আগে পর্যন্ত নলোমে সেভাবে সক্রিয় ছিল না সানরাইজার্স। মহম্মদ সামির অভাব পূর্ণ করাই ছিল লক্ষ্য। কিন্তু শিবম দুবে, প্রফুন হিনজে, ওমকার তারমালে, সাকিব হুসেনের মতো ঘরোয়া ক্রিকেটের পেসার ছাড়া কাউকে নেওয়া যায়নি। বাঁ-হাতি লেগস্পিনার ক্রেনস ফুলেট্রা অবশ্য বৈচিত্র আনছেন। এছাড়াও সলিল আরোরা, শিবাং কুমারকে নিয়েছে তারা।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স
মোট ক্রিকেটার ২৫, বিদেশি ৮
মুম্বই দল এমনিতে তৈরিই। মাত্র পাঁচটা স্লট ভরার প্রয়োজন ছিল। সেজন্য খুব বেশি হাঁকডাক করেনি মুম্বই। মাত্র দশজনের জন্য বিড হাঁকে তারা। তবে ক্যামেরন গ্রিনকে পাওয়া যায়নি। কুইন্টন ডি’কক নেওয়া তাদের বড় সাফল্য। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা এছাড়াও দলে টেনেছে দানিশ মালেওয়ার, অথর্ব আনকোলেকার, মায়াঙ্ক রাওয়াত ও মহম্মদ ইজহারকে।
গুজরাত টাইটান্স
মোট ক্রিকেটার ২৫, বিদেশি ৭
১২.৯০ কোটি টাকা হাতে নিয়ে নিলামে বসেছিল। পাঁচটা ফাঁকা স্লটের মধ্যেই চারটিই বিদেশি। কিন্তু তিনজনের বেশি বিদেশি পায়নি তারা। সাত কোটি টাকায় অলরাউন্ডার জেসন হোল্ডারকে নেওয়াই তাদের সেরা সাফল্য। এছাড়া টম ব্যান্টন, লিউক উড, পৃথ্বীরাজ ইয়ারা ও অশোক শর্মাকে দলে শামিল করেছে গুজরাত।
কলকাতা নাইট রাইডার্স
মোট ক্রিকেটার ২৫, বিদেশি ৮
সর্বাধিক পার্স নিয়ে নিলামে বসেছিল কলকাতা। ২৫.২ কোটি টাকায় ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে রেকর্ড গড়ে তারা। কিপার হিসেবে দলে আসেন ফিন অ্যালেন, টিম সেফার্ট, তেজস্বী দাহিয়া। মাথিশা পাথিরানা, মুস্তাফিজুর রহমান, আকাশদীপের আগমন শক্তি বাড়াচ্ছে পেস বিভাগের। এছাড়াও নেওয়া হয় রাচীন রবীন্দ্র, রাহুল ত্রিপাঠি, কার্তিক ত্যাগী, সার্থক রঞ্জন, দক্ষস কামরা, প্রশান্ত সোলাঙ্কিকে।
রাজস্থান রয়্যালস
মোট ক্রিকেটার ২৫, বিদেশি ৮
দুই স্পিনার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও মাহিশ থিকশানার বিকল্প খুঁজে নেওয়াই ছিল প্রধান লক্ষ্য। ৭.২ কোটি টাকায় সেজন্যই রবি বিষ্ণোইকে পেতে বদ্ধপরিকর ছিল রাজস্থান। এছাড়া লেগস্পিনার যশ রাজ পুঞ্জা ও বাঁ-হাতি স্পিনার ভিগনেশ পুথুরকেও নেয় তারা। এর বাইরে অ্যাডাম মিলনে, কুলদীপ সেন, আমন রাও, রবি সিং, সুশান্ত মিশ্র, ব্রিজেশ শর্মা এসেছেন দলে।
পাঞ্জাব কিংস
মোট ক্রিকেটার ২৫, বিদেশি ৮
নিলামে খুব একটা সক্রিয় ছিল না শ্রেয়স আয়ারের দল। তার কোনও দরকারও ছিল না। আক্রমণাত্মক অজি ব্যাটার কুপার কনোলিকে নেওয়া হয় জস ইংলিসের বিকল্প হিসেবে। বাঁ-হাতি অজি পেসার বেন ডোয়ারশুইসও এসেছেন দলে। এছাড়া লেগস্পিনার প্রভীন দুবে এবং সিমার বিশাল নিশাদকে মিনি নিলামে নিয়েছে পাঞ্জাব।
দিল্লি ক্যাপিটালস
মোট ক্রিকেটার ২৫, বিদেশি ৮
২১.৮ কোটি টাকা হাতে ছিল দিল্লির। তাদের প্রথম এগারো মোটামুটি তৈরিই। ওপেনিংয়ে পাথুম নিশাঙ্কা এবং পৃথ্বী সউকে নেওয়ায় শক্তি বাড়ছে। মাথিশা পাথিরানা ও মুস্তাফিজুর রহমানকে না পেলেও পেসার হিসেবে দিল্লি নিয়েছে লুঙ্গি এনগিডি ও কাইল জেমিসনকে। ডেভিড মিলার, বেন ডাকেট, আকিব নবি, সাহিল পারখকেও নিয়েছে দিল্লি। উল্লেখ্য, আইপিএলে কখনও খেতাব জেতেনি দিল্লি। এবার খরা কাটাতে মরিয়া তারা।
লখনউ সুপার জায়ান্টস
মোট ক্রিকেটার ২৫, বিদেশি ৭
ছ’টা স্লট ভর্তি করতে হত। পকেটে ছিল ২২.৯৫ কোটি টাকা। রবি বিষ্ণোইয়ের অভাব ঢাকতে নেওয়া হয়েছে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে। ডেভিড মিলারের অনুপস্থিতির জন্য ভরসা রাখা হয়েছে জস ইংলিশের উপরে। পেসার হিসেবে এসেছেন অ্যানরিখ নর্তজে। এছাড়াও মুকুল চৌধুরি, আকশাত রঘুবংশী, নমন তিওয়ারিকে নিয়েছে এলএসজি।