নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জেলায় জেলায় বিজয়া সম্মিলনি থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ করছে তৃণমূল। বিজয়া সম্মিলনিগুলিতে কেমন লোক হচ্ছে, নবীন-প্রবীণ সব তৃণমূল কর্মীরা আসছেন কি না, কোনও অভাব-অভিযোগ উঠে আসছে কি না, সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া কেমন—এই সমস্ত বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে রাজ্যের শাসক দল।
৫ অক্টোবর থেকে তৃণমূলের তরফে শুরু হয়েছে বিজয়া সম্মিলনি পর্ব। এবার জেলা, ব্লক, টাউন, অঞ্চল স্তর পর্যন্ত বিজয়া সম্মিলনির আয়োজন করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক আরও নিবিড় করে তুলতেই এই উদ্যোগ। এছাড়া তৃণমূলের তরফে ৫০ জন বক্তারও একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেটি পর্যবেক্ষণ করছে দলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তর। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, বিজয়া সম্মিলনীগুলি থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ করা হচ্ছে। তাঁরা নজর দিচ্ছেন, সম্মিলনিতে কত মানুষ এলেন। বিশেষভাবে নজরে কোন বয়সের মানুষজন আসছেন তার উপরে। বিজয়া সম্মিলনির আগে দলের নবীন-প্রবীণ সকলকেই আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। কিন্তু সম্মেলনে কারা আসছেন, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। সম্মেলন থেকে একত্রিত হওয়ার ছবিটা তুলে ধরছে তৃণমূল। তাছাড়া যখন জনসংযোগের পর্ব চলছে, তখন দলের কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোনও অভাব, অভিযোগ, সমস্যার কথা উঠে আসছে কি না, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে। ফলে একটি বিজয়া সম্মিলনি থেকে সামগ্রিক রিপোর্ট সংগ্রহ করছে তৃণমূল। পাশাপাশি তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থার তরফেও জেলায় জেলায় খোঁজখবর রাখা হচ্ছে, বিজয়া সম্মিলনি বাস্তবে কেমন হচ্ছে। ওই এলাকার সমস্ত তৃণমূল কর্মী অংশগ্রহণ করছেন কি না, সেদিকেও বাড়তি নজর রাখছে ওই সংস্থা।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই শেষ বিজয়া সম্মিলনি। ফলে রাজনৈতিক দিক থেকে বিজয়া সম্মিলনিকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূল সকলের মধ্যে সম্পর্কের বন্ধনকে আরও নিবিড় করতে তৎপর। কালীপুজো পর্যন্ত জেলায় জেলায় বিজয়া সম্মিলনির পর্ব চলবে বলেই খবর।