মুম্বই: ভারতের পারিবারিক ঋণের পরিমাণ (২০২৬ সালের মার্চের হিসাব) বেড়ে দাঁড়িয়েছে জিডিপির ৪৫.৫ শতাংশ। নেপথ্যে রয়েছে মূলত গৃহঋণ ছাড়াও বিভিন্ন খুচরো দেনা বৃদ্ধি। রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) সর্বশেষ ফিন্যান্সিয়াল স্টেবিলিটি রিপোর্টে (এফএসআর) এই তথ্য জানানো হয়েছে। অর্থাৎ জিনিসপত্র কেনা, সংসারের খরচখরচা সামলানোর মতো বিষয়ে ঋণের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। পারিবারিক ঋণের পরিমাণ বাড়লেও শীর্ষ ব্যাংকের দাবি, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঋণগ্রহীতাদের মানেও উন্নতি এসেছে। আরবিআই জানিয়েছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে পারিবারিক ঋণ পাঁচ বছরের গড়ের (জিডিপির ৪২.৯ শতাংশ) উপরেই রয়েছে। এই বৃদ্ধির নেপথ্যে অন্যতম প্রধান কারণ হল, গৃহঋণ ছাড়া অন্যান্য খুচরো লোন অর্থাৎ কনজামশন বা ভোগব্যয়ের জন্য নেওয়া ঋণের ধারাবাহিক বৃদ্ধি। যা ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ছিল মোট পারিবারিক ঋণের অর্ধেকেরও বেশি। ৫৮.৪ শতাংশ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর অংশ ধারাবাহিকভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং গৃহ, কৃষি ও ব্যবসায়িক ঋণকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। তবে লোন নেওয়া বাড়লেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ঋণগ্রহীতাদের প্রোফাইল আরও শক্তিশালী হয়েছে।



