Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভাঙার কাজ চলাকালীন হুড়মুড়িয়ে পড়ল বাড়ি, ক্রিক রো’য় জখম তিন

প্রোমোটিংয়ের জন্য পুরনো বাড়ি ভাঙার কাজ চলছিল। রাতভর তুমুল বৃষ্টি, সকালে খানিক বিরতির পর দুপুর থেকে আবারও দফায় দফায় বৃষ্টি।

ভাঙার কাজ চলাকালীন হুড়মুড়িয়ে  পড়ল বাড়ি, ক্রিক রো’য় জখম তিন
  • ৩০ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রোমোটিংয়ের জন্য পুরনো বাড়ি ভাঙার কাজ চলছিল। রাতভর তুমুল বৃষ্টি, সকালে খানিক বিরতির পর দুপুর থেকে আবারও দফায় দফায় বৃষ্টি। ফলে বাড়ি ভাঙার কাজ চলাকালীন প্রায় পুরো বাড়িটাই ভেঙে পড়ল হুড়মুড়িয়ে। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে এই ঘটনা ঘটেছে মৌলালির ক্রিক রো সংলগ্ন ৭, রাজকুমার বসু লেনে। দপুরে বাড়ি ভাঙার কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। তখনই আচমকা তীব্র শব্দে বাড়িটির দোতলার ঘরের দেওয়াল ভেঙে পড়ে। তিনজন শ্রমিক জখম হন। ঘটনাস্থলে আসে মুচিপাড়া থানার পুলিস। জখম কর্মী বিমল কর রায়, সুমিত সিং ও শাহিন শেখকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বিমল ও সুমিত কলকাতার বাসিন্দা হলেও শাহিন মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। বর্তমানে তাঁরা তিনজনেই চিকিৎসাধীন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, এই দোতলা বাড়িটি বহুকাল ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়েছিল। সম্প্রতি ওই জায়গায় প্রোমোটিংয়ের কাজ শুরু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে এদিনই সেখানে যায় পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের ডেমোলিশন স্কোয়াড। 

Advertisement

শুধু এই একটি নয়, এদিন নিউ মার্কেট থানা এলাকার জানবাজারেও একটি বিপজ্জনক বাড়ির দোতলার দেওয়াল ভেঙে পড়ে। ওই পুরনো বাড়ি ও পাশের বাড়ির মধ্যবর্তী অংশে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে দেওয়ালটি। ঘটনাটি ঘটেছে ২৪, বি রানি রাসমণি রোডে। স্থানীয় এক মহিলা বলেন, ‘বাড়িটি প্রায় ২৫০ বছরের পুরনো। দীর্ঘকাল ধরেই বিপজ্জনক ও পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। কেউ থাকে না। শুনেছি, শরিকি বিবাদের জেরে বাড়িটির সংস্কার হয়নি। কাল রাত থেকে ঝেঁপে বৃষ্টি হয়েছে। সেই কারণেই সম্ভবত এই পরিস্থিতি।’ যদিও এই ঘটনায় কেউ আহত হননি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের ডেমোলিশন স্কোয়াডের কর্মীরা। ওই বাড়ির দেওয়ালে গজিয়ে ওঠা একটি গাছ কাটার কাজ শুরু করেন তাঁরা।
এদিকে, নারকেলডাঙা থানা এলাকার ২০ এ, রাজেন্দ্র লাল স্ট্রিটের একটি ভেঙে পড়া পরিত্যক্ত বাড়ি পুরোপুরি ভাঙার কাজ এদিনই শুরু করল পুরসভা। ডেমোলিশন স্কোয়াডের এক কর্মী বলেন, ‘গোটা বাড়িতে কোনও সিঁড়ি নেই। সেটি আগেই ভেঙে পড়েছে। তাই বাড়িতে ঢোকার সুযোগ নেই। ভাঙার কাজও ঝুঁকিপূর্ণ। তাই পে লোডার কাজে লাগানো হচ্ছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ