সংবাদদাতা, হবিবপুর: গ্রামীণ হাসপাতালে দালাল চক্র রুখতে সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড বসাল কর্তৃপক্ষ। তাতে দেওয়া হয়েছে একটি ফোন নম্বর। সেখানে অভিযোগ করলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সংবাদদাতা, হবিবপুর: গ্রামীণ হাসপাতালে দালাল চক্র রুখতে সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড বসাল কর্তৃপক্ষ। তাতে দেওয়া হয়েছে একটি ফোন নম্বর। সেখানে অভিযোগ করলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
একাধিকবার রোগীর আত্মীয়দের ভুল বুঝিয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হচ্ছে বলে সম্প্রতি সরব হতে দেখা গিয়েছে রোগীর আত্মীয়দের। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে এবার পদক্ষেপ নিল হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচণ্ডীর আরএন রায় গ্রামীণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হাসপাতালে রোগী নিয়ে গেলেই পিছন পিছন ঘুরতে শুরু করে দালালরা। আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকার খেটে খাওয়া দরিদ্র, সরল মানুষরাই বেশিরভাগ দালালদের খপ্পরে পড়ে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। একাধিক বার এব্যাপারে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে কর্তৃপক্ষকে। সাধারণ মানুষকে যাতে কেউ বিভ্রান্ত না করতে পারে, সেজন্য জরুরি বিভাগের সামনে সাইন বোর্ড লাগানো হয়েছে।
হবিবপুর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক বাবর আলি বলেন, হাসপাতালে দালালদের বরদাস্ত করা হবে না। রোগী হাসপাতালে যাতে সবরকম সরকারি সুবিধা পান, সেবিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, গত নভেম্বরে স্বামীর জ্বর হওয়ায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গিয়েছিলেন বধূ দময়ন্তী বর্মন। রক্ত পরীক্ষা করতে বলে রোগীকে ভর্তি করে নেন ডাক্তার। হাসপাতাল থেকে বেরতেই এক ব্যক্তি বেসরকারি ল্যাবে রক্ত পরীক্ষা করাতে নিয়ে যায় রোগীকে। সেখানে ৬৭০ টাকা নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন দময়ন্তী। পরে তাঁরা জানতে পারেন হাসপাতালে সরকারি ল্যাবে মাত্র ২০০ টাকায় পরীক্ষাটি করা যেত। বিষয়টি জানতে পেরে ওই ব্যক্তিকে ডেকে বলতেই ঝগড়া শুরু করেন তিনি। ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন দময়ন্তীরা।
বাবর আরও বলেন, হাসপাতালে ল্যাব রয়েছে। অনেক কম পয়সায় সেখানে রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষা হয়। দালালের খপ্পরে যাতে কেউ না পড়েন, সেজন্য বোর্ডে একটি মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে। সেখানে ফোন করে অভিযোগ জানালে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।