সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: হাওড়া-পুরুলিয়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস সপ্তাহে চারদিন দু’ঘণ্টা করে দেরিতে চলায় দুর্ভোগে পড়েছেন বাঁকুড়া জেলার যাত্রীরা। রেল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দু’ মাস ধরে বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র এবং শনি, এই চারদিন হাওড়া থেকে নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে অন্তত দু’ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ছে হাওড়া-পুরুলিয়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস। তার ফলে বিষ্ণুপুর ও বাঁকুড়ায় ট্রেনটি দেরিতে পৌঁছচ্ছে। যাত্রীদের হয়রানি বাড়ছে। তাঁদের অভিযোগ, সময় সারণী অনুযায়ী হাওড়া-পুরুলিয়া সুপারফাস্ট ট্রেনটির রাত আটটা ৩ মিনিটে বিষ্ণুপুর স্টেশনে ঢোকার কথা থাকলেও সেটি রাত ১১টার পরে পৌঁছচ্ছে। ফলে স্টেশনে নেমে অনেকেই গন্তব্যে পৌঁছনোর জন্য যানবাহন পাচ্ছেন না। বিষ্ণুপুরের স্টেশন ম্যানেজার দীপককুমার পাল বলেন, নির্মাণ কাজের জন্য ব্লক থাকায় হাওড়া-পুরুলিয়া সুপারফাস্ট ট্রেনটি সপ্তাহে চারদিন টাটা হয়ে ঘুরপথে হাওড়ায় পৌঁছয়। যার জন্য দেরি হয়। স্বভাবতই হাওড়া থেকে নির্দিষ্ট সময়ের অনেক পরে ছাড়ে। তবে তিনমাসের জন্য ব্লক থাকার কথা। ইতিমধ্যে দু’মাস কেটে গিয়েছে। আরও একমাস ওই সমস্যা থাকবে। তারপর স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
Advertisement
নিত্যযাত্রীদের একাংশ বলেন, বিষ্ণুপুর ও বাঁকুড়া থেকে বহু মানুষ কর্মসূত্রে কলকাতায় যান। তাঁদের একটা বড় অংশ হাওড়া-পুরুলিয়া সুপারফাস্ট ট্রেনে করে ফেরেন। দ্রুতগতির ট্রেন হওয়ায় সাধারণ যাত্রীরাও ওই ট্রেনে করে ফিরতে পছন্দ করেন। কিন্তু গত দু’মাস ধরে সপ্তাহে চারদিন ট্রেনটি অনেক দেরিতে ছাড়ায় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা সুধীর চট্টোপাধ্যায় বলেন, বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত অনলাইনে টিকিট কাটার সময় হাওড়া স্টেশনে বিকাল ৪টা বেজে ৫০ মিনিটে ট্রেন ছাড়ার কথা লেখা থাকে। সেই মতো অধিকাংশ যাত্রী নির্দিষ্ট সময়ে স্টেশনে চলে আসেন। কিন্তু পরে সময় পরিবর্তনের মেসেজ দেওয়া হয়। যার ফলে যাত্রীদের স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তবে রবি, সোম এবং মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়েই ট্রেনটি হাওড়া থেকে ছাড়ে এবং সঠিক সময়ে বিষ্ণুপুরে পৌঁছয়।
বিষ্ণুপুরের কাটানধারের বাসিন্দা দীনবন্ধু ঘোষ বলেন, আমি ব্যবসার কাজে সপ্তাহে দু’ দিন কলকাতা যাই। ফেরার সময় হাওড়া-পুরুলিয়া ট্রেনে আসি। কিন্তু ট্রেনটি এত দেরিতে পৌঁছয় যে বিষ্ণুপুর স্টেশনে নেমে বাড়ির ফেরার কোনও গাড়ি পাই না। প্রায় চার কিলোমিটার হাঁটতে হয়। আমার মতো বহু যাত্রীকে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। আর কতদিন ওই দুর্ভোগ চলবে কে জানে। রেলকর্মীদের জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা কোনও সদুত্তর দেন না।
বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা সুধীর চট্টোপাধ্যায় বলেন, বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত অনলাইনে টিকিট কাটার সময় হাওড়া স্টেশনে বিকাল ৪টা বেজে ৫০ মিনিটে ট্রেন ছাড়ার কথা লেখা থাকে। সেই মতো অধিকাংশ যাত্রী নির্দিষ্ট সময়ে স্টেশনে চলে আসেন। কিন্তু পরে সময় পরিবর্তনের মেসেজ দেওয়া হয়। যার ফলে যাত্রীদের স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তবে রবি, সোম এবং মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়েই ট্রেনটি হাওড়া থেকে ছাড়ে এবং সঠিক সময়ে বিষ্ণুপুরে পৌঁছয়।
বিষ্ণুপুরের কাটানধারের বাসিন্দা দীনবন্ধু ঘোষ বলেন, আমি ব্যবসার কাজে সপ্তাহে দু’ দিন কলকাতা যাই। ফেরার সময় হাওড়া-পুরুলিয়া ট্রেনে আসি। কিন্তু ট্রেনটি এত দেরিতে পৌঁছয় যে বিষ্ণুপুর স্টেশনে নেমে বাড়ির ফেরার কোনও গাড়ি পাই না। প্রায় চার কিলোমিটার হাঁটতে হয়। আমার মতো বহু যাত্রীকে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। আর কতদিন ওই দুর্ভোগ চলবে কে জানে। রেলকর্মীদের জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা কোনও সদুত্তর দেন না।



