Bartaman Logo
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হুগলিতে ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা ৭ লক্ষ ৬০ হাজার মেট্রিক টন, বাধা রামকৃষ্ণ সেতুতে ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ

হুগলি জেলায় এবার সাত লক্ষ ৬০ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনবে রাজ্য। ধানের দাম কুইন্টাল পিছু ২৩৬৯ টাকা। ক্রয় কেন্দ্রে গিয়ে বিক্রি করলে কুইন্টাল পিছু আরও ২০ টাকা উৎসাহ ভাতা মিলবে বলে খাদ্যদপ্তর জানিয়েছে

হুগলিতে ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা ৭ লক্ষ ৬০ হাজার মেট্রিক টন, বাধা রামকৃষ্ণ সেতুতে ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ
  • ১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: হুগলি জেলায় এবার সাত লক্ষ ৬০ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনবে রাজ্য। ধানের দাম কুইন্টাল পিছু ২৩৬৯ টাকা। ক্রয় কেন্দ্রে গিয়ে বিক্রি করলে কুইন্টাল পিছু আরও ২০ টাকা উৎসাহ ভাতা মিলবে বলে খাদ্যদপ্তর জানিয়েছে। চাষিদের থেকে সহায়ক মূল্যে ধান কিনতে ৪৭টি কেন্দ্র খোলা হচ্ছে। খাদ্যদপ্তরের প্রস্তুতি তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় ধান কেটে তুলতে শুরু করেছেন চাষিরা। ফলে চলতি মাস থেকেই ধান কেনার কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে আশা খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের। তবে বিপর্যস্ত রামকৃষ্ণ সেতুতে ভারী যান চলাচল বন্ধ। তাই ধান ও চাল বহনে বিকল্প ব্যবস্থার আর্জি জানিয়েছে আরামবাগ মহকুমার রাইস মিল সমিতি। খাদ্যদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এবার আরামবাগ মহকুমা এলাকায় ধানের ফলন ভালো হয়েছে। তাই ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর জেলায় পাঁচ লক্ষ ৪০ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনেছিল রাজ্য। কিন্তু এবার টার্গেট দেওয়া হয়েছে সাত লক্ষ ৬০ হাজার মেট্রিক টন। গত বছর খানাকুল সহ আরামবাগ মহকুমার একাংশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় মার খেয়েছিল ধানের ফলনে। এবারও খানাকুলের কিছু নিচু এলাকায় ডিভিসির ছাড়া জলে প্লাবন পরিস্থিতি হয়। তাতেও কিছু এলাকায় আমন ধানের ক্ষতি হয়েছে। তবে মহকুমার অন্যত্র ধানের ফলন ভালো হয়েছে বলেই আশা খাদ্যদপ্তরের। ধানের সহায়ক মূল্য বাড়ায় চাষিদের ধান বিক্রিতে উৎসাহ বাড়বে বলে মনে করছেন খাদ্যদপ্তরের আধিকারিকরা। 

Advertisement

খাদ্যদপ্তরের এক কর্তা বলেন, আপাতত জেলায় ৬৪টি রাইস মিলের সঙ্গে ধান কেনার কাজে চুক্তি করা হয়েছে। স্থায়ী ধান কেনার পাশাপাশি এলাকায় মোবাইল সিপিসিও করা হচ্ছে। আপাতত ১৩টি ভ্রাম্যমাণ ধানক্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। কেন্দ্রগুলিতে সিসি ক্যামেরার নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। তবে রামকৃষ্ণ সেতু বন্ধ থাকায় ধান কেনার উপর প্রভাব পড়তে পারে বলে ওয়াকিবহাল মহলের মত। আরামবাগের রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুনীল ঘোষ বলেন, রামকৃষ্ণ সেতুতে হাইট বার রয়েছে। তাই ঘুরপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে লরিগুলিকে। এরজন্য অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। বিষয়টি বিবেচনার জন্য প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। 
হুগলির খাদ্য নিয়ামক পার্থ সাহা বলেন, ধান কেনার শুরু হয়েছে। আপাতত চাষিদের রেজিস্ট্রেশনের কাজ চলছে। রামকৃষ্ণ সেতুর ব্যাপারে আবেদন আমরা পেয়েছি। এই বিষয়ে এনকোয়ারি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। সেখানেই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ