Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কাশীপুরে বাড়ির মালিক বেআইনি নির্মাণ করছেন, মেয়রকে ফোন প্রোমোটারের

এবার বেআইনি নির্মাণের অভিযোগকারী এক প্রোমোটার। শুনতে অবাক লাগলেও এমন উলটপুরাণ কাশীপুরে।

কাশীপুরে বাড়ির মালিক বেআইনি নির্মাণ করছেন, মেয়রকে ফোন প্রোমোটারের
  • ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০২
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এবার বেআইনি নির্মাণের অভিযোগকারী এক প্রোমোটার। শুনতে অবাক লাগলেও এমন উলটপুরাণ কাশীপুরে। যেখানে শহরজুড়ে সবসময় প্রোমোটারের বিরুদ্ধেই অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ ওঠে, সেখানে মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে ফোন করে অভিযোগ জানিয়েছেন এক প্রোমোটার। অভিযোগ শুনে বিল্ডিং বিভাগের আধিকারিকদের ধমক দেন মেয়র। বিল্ডিং বিভাগের সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে ‘শো-কজ’ করতেও বলেন। 

Advertisement

শুক্রবার ‘টক টু মেয়র’ অনুষ্ঠানে কাশীপুর থেকে একটি ফোন আসে। জনৈক ব্যক্তি নিজেকে প্রোমোটার পরিচয় দিয়ে জানান, তিনি একটি জমিতে ফ্ল্যাটবাড়ি বানিয়েছেন। পরবর্তী সময় কিছু ছোটোখাটো বিচ্যুতির জন্য প্রায় ১১ লক্ষ টাকা রেগুলারাইজেশন ফি জমা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ওই জমির মালিক বর্তমানে অবৈধ নির্মাণ করছেন। তিনি নিজে পুরসভার অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান অনুযায়ী ওই আবাসনের নীচে গ্যারাজের জন্য ফাঁকা জায়গা রেখেছিলেন। কিন্তু বাড়ির মালিক সেখানে ফাঁকা জায়গা ঘিরে ফ্ল্যাট বানাচ্ছেন। প্রোমোটার মেয়রকে বলেন, এমন হলে আমি সিসি (কমপ্লিশন সার্টিফিকেট) পাব না। বাড়ির মালিককে বলার পরও শুনছেন না। বরো অফিসে অভিযোগ জানিয়ে লাভ হয়নি। 
এই কথা শুনে ক্ষুব্ধ হন মেয়র। বিল্ডিং বিভাগের আধিকারিককে জিজ্ঞাসা করার পর জানতে পারেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ওই নির্মাণের ক্ষেত্রে ‘স্টপ ওয়ার্ক’ নোটিস দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরও বাড়ির মালিক নির্মাণ চালিয়ে যাচ্ছেন। যা শুনে রেগে গিয়ে মেয়র বলেন, কেন ‘টক টু মেয়র’ পর্যন্ত অভিযোগ আসবে? তার মানে অফিসাররা পাড়ায় পাড়ায় ঘুরছেন না। নোটিস পাওয়ার পরও যদি নির্মাণ চালিয়ে যায় তাহলে ভেঙে দেওয়া হয়নি কেন? বিল্ডিং বিভাগের ডিজিকে এই প্রশ্ন করেন ফিরহাদ। তিনি বলেন, এর মানে আপনার আধিকারিক ওই মালিকের সঙ্গে যোগসাজস রাখছেন। সেই আধিকারিককে শো-কজ করে দিন। অবৈধ নির্মাণ হয়ে থাকলে দ্রুত ভেঙে ফেলুন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ