নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রায় ৫ বছর আগে করোনাকালে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যবাসীর জন্য চালু করেছিলেন টেলিমেডিসিন পরিষেবা। ‘স্বাস্থ্যইঙ্গিত’ নামে এই পরিষেবায় এতদিন পর্যন্ত মডার্ন মেডিসিন বা অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসকরাই অনলাইনে রোগী দেখতেন। এই প্রথম অ্যালোপ্যাথির পাশাপাশি হোমিওপ্যাথিক বা আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকরাও এই পরিষেবার মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং সরকারি হাসপাতালে অনলাইনে রোগী দেখবেন। সম্প্রতি জাতীয় আয়ুষ মিশনের (ন্যাম) কর্মসমিতির বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রসঙ্গত, পছন্দের প্যাথির মধ্যে অ্যালোপ্যাথির পরই সারা পৃথিবীর মানুষ হোমিওপ্যাথিতে বিশ্বাস রাখেন। আবার বহু মানুষ অ্যালোপ্যাথির পাশাপাশি হোমিওপ্যাথি বা আয়ুর্বেদ চালু রাখেন। এই মিশ্রপ্যাথি নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। কিন্তু বহু সময় চিকিৎসকরাও অভয়দান করে জানান, মডার্ন মেডিসিনের সঙ্গে হোমিওপ্যাথি বা আয়ুর্বেদ চলতে পারে। এই পরিস্থিতিতে টেলিমেডিসিনে আয়ুষ চালু হলে নিজের নিজের ভরসার প্যাথির চিকিৎসক দেখাতে পারবেন হাজারও মানুষ। তবে শুধু ‘স্বাস্থ্যইঙ্গিত’ই নয়, কিছুদিন আগে চালু হওয়া মোবাইল মেডিকেল ইউনিট (এমএমইউ) বা ‘স্বাস্থ্যবন্ধু’ প্রকল্পের অ্যাম্বুলেন্স- গুলিতেও একজন করে আয়ুষ ডাক্তার থাকার সিদ্ধান্ত হয়েছে সাম্প্রতিক ন্যাম বৈঠকে। .



