Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

বঙ্গভঙ্গ নিয়ে ফের আলোচনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে

রাজনৈতিক কারণ নয়, কেন্দ্রীয় সরকার দেখাতে চাইছে দেশের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার স্বার্থেই বিহারের প্রান্তিক কয়েকটি জেলা এবং বাংলার কয়েকটি জেলা ও জনপদ নিয়ে একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠন করা দরকার।

বঙ্গভঙ্গ নিয়ে ফের আলোচনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে
  • ৭ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রাজনৈতিক কারণ নয়, কেন্দ্রীয় সরকার দেখাতে চাইছে দেশের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার স্বার্থেই বিহারের প্রান্তিক কয়েকটি জেলা এবং বাংলার কয়েকটি জেলা ও জনপদ নিয়ে একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠন করা দরকার। বিহারের সীমাঞ্চল নিয়ে বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দু’দিনের ওই বৈঠকে সীমাঞ্চলের জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকের পরই জানা যাচ্ছে, এই জেলাগুলিকে বাংলার কিছু অংশের সঙ্গে জুড়ে দিয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হবে। এই চর্চা এর আগেও হয়েছে। বিজেপি এমপি নিশিকান্ত দুবে প্রথম এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। যা নিয়ে প্রবল হইচই হয়। নিশিকান্ত দুবের প্রস্তাব ছিল মালদহ, মুর্শিদাবাদ,সহ উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলাকে বিহারের আরারিয়া, কিষানগঞ্জ, পূর্ণিয়া, কাটিহারের সঙ্গে যুক্ত করা হোক। অভিযোগ ওঠে, তৃণমূলের মুসলিম ভোটব্যাঙ্ককে বিভাজিত করতেই বিজেপি এই প্রস্তাব এনেছে। কিন্তু এবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক যে আলোচনা চালাচ্ছে, সেখানে উঠে আসছে শিলিগুড়ি করিডরকে চীন এবং বাংলাদেশের জঙ্গি ও লালফৌজের ব্যবহার করার কৌশলকে প্রতিহত করতেই এই উদ্যোগ। গত মাসেই অমিত শাহ এই জেলাগুলির প্রশাসনিক বৈঠক করেন। সেখানে শিলিগুড়ি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তারপরই আবার সেই পুরানো প্রস্তাব এসেছে আলোচনায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রূপরেখা তৈরি করছে যে, কীভাবে এই দুই রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিকে সম্পূর্ণ নিরাপদ একটি বেষ্টনীতে রাখা সম্ভব হবে। অনুপ্রবেশ এবং জনসংখ্যার চরিত্র বদল, এই দুই মাপকাঠিকেই ধরা হচ্ছে সীমানা নির্ধারণে। যেহেতু সেন্সাসের পরই হবে ডিলিমিটিশেন, তাই এখন থেকেই জেলাগুলির সীমানা বিন্যাস নিয়ে তৎপরতা শুরু করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ