নয়াদিল্লি: ফের বিতর্কে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়। এবার ক্যাম্পাসে হোলি উদযাপন নিয়ে তুমুল তরজা শুরু হয়েছে। পড়ুয়াদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে হোলি উদযাপনের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু, তা খারিজ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এরপরই হুঁশিয়ারির সুরে পড়ুয়ারা জানিয়েছেন, অনুমতি দিতেই হবে। অন্যথায় বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জানানো হবে। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তুমুল তরজা শুরু হয়েছে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর ওয়াসিম আলি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয় না। অতীতেও পড়ুয়ারা হোলি উদযাপন করেছেন। তার জন্য কখনই কোনও নির্দিষ্ট স্থানে বিশেষ অনুষ্ঠানের অনুমতি চাওয়া হয়নি। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, পড়ুয়ারা আগের মতোই ক্যাম্পাসে বা তাঁদের হস্টেলে হোলি উদযাপন করতে পারবেন। কিন্তু, বিশেষ কোনও অনুষ্ঠানের জন্য অনুমতি দেওয়া হবে না। জানা গিয়েছে, হিন্দু পড়ুয়াদের পক্ষে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি উপাচার্যকে চিঠি লেখেন অখিল কৌশল নামে স্নাতকোত্তরের এক ছাত্র। চিঠিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর ওয়াশিম আলির কাছে জমা দেওয়া হয়। তাতে ৯ মার্চ এনআরএসসি ক্লাবে হোলি মিলন অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি চাওয়া হয়। কৌশলদের ডেকে কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়, ক্যাম্পাসে হোলি উদযাপন করতে দেওয়া হবে না। সমাজবাদী পার্টির আশুতোষ শর্মা জানিয়েছেন, কোনও সম্প্রদায়কে উৎসব উদযাপন করতে বাধা দেওয়া যায় না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে স্বতঃপ্রণোদিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। উত্তরপ্রদেশের পর্যটনমন্ত্রী জয়বীর সিং বলেন, একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়কে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে দেওয়া হবে, অন্যকে বঞ্চিত করা হবে—এমনটা চলতে পারে না।



