সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: হেমতাবাদ ব্লকের বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শেষপ্রান্তে ভাসিডাঙ্গা এলাকায় বাঁশের সাঁকো দিয়ে বাইক, সাইকেল নিয়ে কুলিক নদী পার হতে দিতে হচ্ছে টাকা। স্থানীয় বাসিন্দা প্রদীপ মালাহারকে ১০ টাকা দিলেই সেই সাঁকো যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করতে পারছেন ব্লকের বিষ্ণুপুর, টিটিহি, ভাসিডাঙ্গা এলাকা এবং রায়গঞ্জের বিন্দোল, মহারাজা, ভাটোল এলাকার বাসিন্দারা। নদী পারাপারে টাকা তোলা হলেও সেকথা জানে না হেমতাবাদ পঞ্চায়েত সমিতি।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কুলিক নদীতে জল কম থাকার সময় এই সাঁকো তৈরি করেন প্রদীপ। সেই পথে বাইক, সাইকেল নিয়ে চলাচল করলেই নেওয়া হয় টাকা। কে অনুমতি দিয়েছে? প্রদীপের মন্তব্য, ১০ বছরের বেশি সময় এই সাঁকো তৈরি করে পারাপারের ব্যবস্থা করছি। সাঁকো দিয়ে কেউ যাতায়াত করলে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতে জানিয়েই টাকা নিই। খরচা করে সাঁকো করেছি। তাই টাকা নেওয়ায় অন্যায় কিছু দেখছি না। যদিও অনুমতি দেওয়ার কথা মানতে চাননি বিষ্ণুপুর পঞ্চায়েতের প্রধান লাভলি পারভিন। তাঁর মন্তব্য, ওই ব্যক্তি কখনও অনুমতি নিতে আসেননি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।
হেমতাবাদ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্ভু রায় বলেন, নদীতে কিছু করতে হলে পঞ্চায়েত সমিতিকে জানানো উচিৎ। কার অনুমতিতে ওই ব্যক্তি টাকা আদায় করছেন খোঁজ নিয়ে দেখব। প্রদীপ টাকা নিলেও অন্য উপায় দেখছেন না বাসিন্দারা। তাঁদের কথায়, এই সাঁকো ব্যবহার করেই গ্রামের মানুষ হাটেবাজারে যাচ্ছেন। জমির ফসল বাজারে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করতে পারছেন তাঁরা। প্রশাসনের কাছে সেতু তৈরির জন্য কয়েকবার আবেদন করলেও কাজ হয়নি বলে দাবি। প্রয়োজনে তাঁরা ব্রিজের দাবিতে আন্দোলন করার কথা ভাবছেন। স্থানীয় বিনয় কুমার দাসের মন্তব্য, সাঁকো পার হতে টাকা দিতে হয়। কিন্তু অন্য কোনও রাস্তাও তো নেই। প্রশাসনও কোনও ব্যবস্থা করে না।
হেমতাবাদ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্ভু রায় বলেন, নদীতে কিছু করতে হলে পঞ্চায়েত সমিতিকে জানানো উচিৎ। কার অনুমতিতে ওই ব্যক্তি টাকা আদায় করছেন খোঁজ নিয়ে দেখব। প্রদীপ টাকা নিলেও অন্য উপায় দেখছেন না বাসিন্দারা। তাঁদের কথায়, এই সাঁকো ব্যবহার করেই গ্রামের মানুষ হাটেবাজারে যাচ্ছেন। জমির ফসল বাজারে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করতে পারছেন তাঁরা। প্রশাসনের কাছে সেতু তৈরির জন্য কয়েকবার আবেদন করলেও কাজ হয়নি বলে দাবি। প্রয়োজনে তাঁরা ব্রিজের দাবিতে আন্দোলন করার কথা ভাবছেন। স্থানীয় বিনয় কুমার দাসের মন্তব্য, সাঁকো পার হতে টাকা দিতে হয়। কিন্তু অন্য কোনও রাস্তাও তো নেই। প্রশাসনও কোনও ব্যবস্থা করে না।



