Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হেমতাবাদে বধূকে ‘খুনের’ অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বামী

হেমতাবাদে বধূকে ‘খুনের’ অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বামী
  • ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ ও কালিয়াগঞ্জ: অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে স্বামীর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ। চাঞ্চল্য হেমতাবাদের মাস্টারপাড়া এলাকায়। মৃত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর নাম সুপর্ণা সরকার মণ্ডল (৪০)।  তিনি হেমতাবাদের গিয়াশিল মুসলিমপাড়ায় একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে কাজ করতেন। মৃতার পরিবারের অভিযোগ, সুপর্ণার উপর প্রায়ই মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালাত তাঁর স্বামী চিন্ময় মণ্ডল। চিন্ময় হেমতাবাদের মহিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। ওই দম্পতির দুই সন্তানও রয়েছে। হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা বলেন, মৃতের পরিবার থানায় অভিযোগ করেছে। মৃতার স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
Advertisement
বুধবার সন্ধ্যায় শ্বশুরবাড়িতে সুপর্ণা বারবার বমি করেন। সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় হেমতাবাদ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সেখানে চিকিৎসক বিষক্রিয়ার কথা উল্লেখ করেন। এরপর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রায়গঞ্জ মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে মেডিক্যালেই তাঁর মৃত্যু হয়। 
সুপর্ণার মৃত্যুর খবর পেয়ে বুনিয়াদপুর থেকে রায়গঞ্জ মেডিক্যালে আসেন মৃতার বাপের বাড়ির লোকজন। মৃতার দিদি সুমিত্রা সরকারের অভিযোগ,  চিন্ময়ের সঙ্গে অন্য এক মহিলার অবৈধ সম্পর্ক থাকায় সংসারে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত। রোজ রাতে বোন সুপর্ণাকে অত্যাচার করা হতো। 
এদিন হেমতাবাদ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মৃতের বাবা সুধীরচন্দ্র সরকার। তাঁর অভিযোগ, চিন্ময় ও তাঁর মা মেয়েকে প্রতিদিন অত্যাচার করত। বুধবার মেয়েকে বিষপান করে আত্মহত্যার জন্য বাধ্য করা হয়। দুই অভিযুক্তের শাস্তির দাবি করেছে মৃতার পরিবার। পরিবারের লোকজনের পাশাপাশি হেমতাবাদ থানায় অভিযুক্ত চিন্ময়ের শাস্তির দাবি জানিয়ে অভিযোগ করেন প্রতিবেশীরাও। স্বর্ণালী সরকার বলেন, অন্য মহিলার সঙ্গে চিন্ময়ের সম্পর্ক ছিল। সেটা সকলেই জানত। সুপর্ণার মৃত্যুর জন্য চিন্ময় ও তার পরিবার দায়ী। মৃতার স্বামী চিন্ময় বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে মাঝেমধ্যে অশান্তি হতো। তবে তেমন বড় ঝামেলা হয়নি। কী কারণে, স্ত্রী বিষপান করল, জানিনা।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ