সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: কালিয়াগঞ্জ শহর, কালিয়াগঞ্জ ও হেমতাবাদের গ্রামীণ এলাকায় রমরমিয়ে চলছে জাল লটারি টিকিট বিক্রি। প্রশাসনের নজরদারির অভাবেই দিনদিন জাল লটারি টিকিট ছড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশ্যেই টেবিল পেতে বিক্রি করা হচ্ছে জাল লটারি টিকিট। শনিবার রাতে হেমতাবাদ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা থেকে একাধিক জাল লটারি টিকিট সহ দুই জনকে ধরে পুলিস। ধৃতদের নাম দয়াল বর্মন ও বিষ্ণুপদ সরকার। দয়াল কালিয়াগঞ্জের ভান্ডারের বাসিন্দা। বিষ্ণুপদ হেমতাবাদের ঝিকুরবাড়ির।
Advertisement
কীভাবে বিক্রি হতো জাল লটারি? হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা জানান, জাল লটারি টিকিট ছাপিয়ে তা বিক্রি হচ্ছিল। অনেকদিন ধরে ধৃতদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ছিল। জাল লটারি সমেত দু’জনকে গ্রেপ্তার করে রায়গঞ্জ আদালতে পেশ করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে অবৈধ লটারি। এই কারবারে আর কারা যুক্ত রয়েছে তা জানতে তদন্ত চলছে।
গত কয়েক মাসে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জাল লটারি টিকিট বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। পুজোর মরশুম শেষ হতেই ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে এই অবৈধ ব্যবসা।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় ছাপাখানাগুলিতে জাল লটারি টিকিট ছাপা হচ্ছে। এরপর ডিলারের মারফত সেখান থেকে পাড়ার মোড়ে মোড়ে পৌঁছে যাচ্ছে। এই অবৈধ কারবার রুখতে পুলিস কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। চলছে অভিযান।
গত কয়েক মাসে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জাল লটারি টিকিট বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। পুজোর মরশুম শেষ হতেই ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে এই অবৈধ ব্যবসা।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় ছাপাখানাগুলিতে জাল লটারি টিকিট ছাপা হচ্ছে। এরপর ডিলারের মারফত সেখান থেকে পাড়ার মোড়ে মোড়ে পৌঁছে যাচ্ছে। এই অবৈধ কারবার রুখতে পুলিস কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। চলছে অভিযান।



