নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: হিমঘরে আলুর বীজের প্যাকেট বদলে দেওয়ার অভিযোগ। এক-দু’বস্তা নয়, ৫২বস্তা আলুবীজ বদলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযো খোদ এক কৃষি আধিকারিকের। বিষয়টি নিয়ে সুমন্ত মিশ্র নামে ওই কৃষি আধিকারিক জলপাইগুড়ির সহকারি কৃষি বিপণন অধিকর্তাকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিপণন দপ্তর। যদিও হিমঘর মালিকের দাবি, ওই ব্যক্তি যে আলুবীজ রেখেছিলেন, সেটাই দেওয়া হয়েছে তাঁকে। হিমঘরে আলুবীজের বস্তা বদলানোর অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন।
Advertisement
কৃষিদপ্তরের সম্প্রসারণ আধিকারিক পদে রয়েছেন সুমন্ত মিশ্র। ডিসেম্বরে অবসর নেবেন তিনি। অবসরের পর আলু চাষ করবেন ভেবে ধূপগুড়ি থেকে আলুবীজ কিনে জলপাইগুড়ির একটি হিমঘরে রেখেছিলেন। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, আলু বের করার সময় দেখতে পান, বস্তা বদলে দেওয়া হয়েছে। সুমন্তবাবু বলেন, আমি দু’টি বন্ডে আলুবীজ রেখেছিলাম। একটি বন্ডে ১৬ বস্তা, অন্য বন্ডে ৫২বস্তা। যাতে আমার আলুবীজ সহজেই চিহ্নিত করা যায়, সেজন্য লাল রঙের বস্তার ভিতরে হলুদ বস্তা ভরে তাতে রেখেছিলাম আলুবীজ। কিন্তু বের করার সময় দেখতে পাচ্ছি, যে বন্ডে ১৬ বস্তা আলুবীজ রেখেছিলাম তা ঠিক আছে। কিন্তু যে বন্ডে ৫২ বস্তা আলু রেখেছিলাম, সেটা বদলে দেওয়া হয়েছে। আমাকে যে আলুবীজ দেওয়া হচ্ছে, তাতে শুধু হলুদ বস্তা রয়েছে। লাল বস্তা উধাও। ওই কৃষি আধিকারিকের দাবি, আমার ভালো আলুবীজ সরিয়ে অন্য বস্তায় নিম্নমানের বীজ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, একজন কৃষি আধিকারিকের সঙ্গে যদি এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে সাধারণ কৃষকদের সঙ্গে কী হয়, তা সহজেই অনুমেয়।
এদিকে, হিমঘরের মালিক ওমপ্রকাশ খরিয়ার বক্তব্য, ওই ব্যক্তি যে আলুবীজ রেখেছিলেন, সেটাই ফেরত দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। আমাদের এখানে ৪ লক্ষ বস্তা আলুবীজ থাকে। কারও কোনও অভিযোগ থাকে না। একজন অভিযোগ করলেই তো হবে না। যে অভিযোগ তুলছেন তিনি, সবটাই ভিত্তিহীন।
এদিকে, হিমঘরের মালিক ওমপ্রকাশ খরিয়ার বক্তব্য, ওই ব্যক্তি যে আলুবীজ রেখেছিলেন, সেটাই ফেরত দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। আমাদের এখানে ৪ লক্ষ বস্তা আলুবীজ থাকে। কারও কোনও অভিযোগ থাকে না। একজন অভিযোগ করলেই তো হবে না। যে অভিযোগ তুলছেন তিনি, সবটাই ভিত্তিহীন।



