Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হিমঘরে আলু রাখার জন্য কৃষিদপ্তরে আবেদন করতে পারবেন চাষিরা, সিদ্ধান্ত 

হিমঘরে আলু রাখার জন্য কৃষিদপ্তরে আবেদন করতে পারবেন চাষিরা, সিদ্ধান্ত 
  • ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান এবং সংবাদদাতা, মানকর: হিমঘরে আলু রাখার জন্য প্রন্তিক চাষিরা ব্লকের কৃষিদপ্তরে আবেদন জানাতে পারবেন। বিডিও এবং কৃষিদপ্তর যৌথভাবে প্রান্তিক চাষিদের তালিকা তৈরি করবে। রাজ্য সরকার এবার প্রান্তিক চাষিদের জন্য ৩০ শতাংশ জায়গা সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে। এদিন বর্ধমানে জেলাশাসক আয়েশা রানি এ হিমঘর সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করেন। জেলাশাসক বলেন, হিমঘর অ্যাসোসিয়েশন সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে। হিমঘর অ্যাসোসিয়েশনের তরফে কৌশিক কুণ্ডু বলেন, প্রান্তিক চাষিদের জন্য হিমঘরে ৩০ শতাংশ জায়গা দিতে অসুবিধা নেই।  বৃহস্পতিবার বৃষ্টি হওয়ায় আলু চাষিরা চিন্তায় পড়েছিলেন। বিশেষ করে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে বহু আলু জমিতে জল জমে গিয়েছিল। চাষিদের পাশে দাঁড়াতে মাঠে নামল কৃষি বিপণন দপ্তর। শুক্রবার জামালপুরে দপ্তরের কর্মীরা বিশেষ ক্যাম্প করে আলু কিনেছেন। পূর্ব বর্ধমামানের জেলাশাসক বলেন, সরাসরি চাষিদের থেকে আলু কেনার জন্য বলা হয়েছে। কৃষি বিপণন দপ্তর মাঠে গিয়ে আলু কিনছে। চাষিরা বলেন, সম্প্রতি বৃষ্টির ধাক্কা তবুও সামলানো গিয়েছে। তবে এরপর ভারী বৃষ্টি হলে আলু চাষ ব্যাপক ক্ষতি হয়ে যাবে। 
Advertisement
‘সুফল বাংলা’র স্টলের মাধ্যমে পশ্চিম বর্ধমানেও কৃষি বিপণন দপ্তরের তরফে কাঁকসার সিলামপুর থেকে ১০ টাকা কেজি দরে ৩০ বস্তা  আলু কেনা হয়। কাঁকসার চাষি অশোক চৌধুরী, কার্তিক চৌধুরী বলেন, আচমকা বৃষ্টির জন্য অনেক আলু চাষি সমস্যায় পড়েছেন। খোলা বাজারে দাম পাওয়া যাচ্ছে না। সরকার ১০ টাকা কেজি দরে আলু কিনলে চাষিরা উপকৃত হবেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আলুর ফলন এবার বেশি হবে ধরে নিয়ে প্রশাসন প্রস্তুতি নিয়েছে। কৃষি ও কৃষি বিপণন দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি ওঙ্কারসিং মীনা জেলাশাসকদের বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছেন। হিমঘরে ৩০ শতাংশ জায়গা প্রান্তিক চাষিদের জন্য সংরক্ষিত করা হয়েছে। এছাড়া এবার রাজ্যে হিমঘরের সংখ্যাও বেড়েছে। আগামী ১ মার্চ হিমঘর খুলবে। তার আগে আবহাওয়া ফের প্রতিকূল হলে ছোট, বড় সমস্ত আলু চাষিরই সমস্যা হবে। পশ্চিম বর্ধমান জেলার এগ্রিকালচারাল মার্কেটিংয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর দিলীপকুমার মণ্ডল বলেন, দুই বর্ধমানের পাশাপাশি বাঁকুড়া জেলা থেকেও নিয়মিত আলু কেনা হচ্ছে। সেই আলু সুফল বাংলা স্টল ও মোবাইল আউটলেটে বিক্রি করা হবে। তিনি জানান, প্রত্যন্ত কিছু জায়গায় আলু কেজি প্রতি ৫-৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সেখানে ১০ টাকা দাম পাওয়ায় চাষিরা খুশি। চাষিদের থেকে আলু কেনার এই প্রক্রিয়া চলবে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ