নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হিমঘরে আলু রাখার ভাড়া কিছুটা বাড়ল। প্রতি কুইন্টালে ১৪ টাকা ভাড়া বাড়ছে। কৃষি বিপণন দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির হিমঘরে প্রতি কুইন্টাল আলু রাখতে ১৮২ টাকা ভাড়া দিতে হবে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভাড়া হবে ১৮৬ টাকা। হিমঘরে আলু রাখার সময়সীমা থাকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। এই সময়সীমার মধ্যে যতদিনই আলু রাখা হোক না কেন, একই হারে ভাড়া দিতে হয়। শনিবার পয়লা মার্চ থেকে চলতি মরশুমে হিমঘরে আলু মজুত রাখার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
Advertisement
কয়েক বছর পর হিমঘরে আলু রাখার ভাড়া বাড়ল। হিমঘর মালিকদের সংগঠন ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিল। ভাড়া না বাড়ালে হিমঘর চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে রাজ্য সরকারকে মালিকদের সংগঠনের একাধিকবার জানিয়েছে। কারণ হিমঘর চালানোর খরচ বেড়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় ভাড়া না বাড়ার কারণে অনেক হিমঘর বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। উত্তরপ্রদেশ সহ অনেক রাজ্যে হিমঘরের ভাড়ার উপর কোনও সরকারি নিয়ন্ত্রণ নেই। সেখানে ভাড়া অনেক বেশি। কিন্তু ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে আলু ব্যবসায়ীদের সংগঠন অসন্তুষ্ট। প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি লালু মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এতে আলু রাখার খরচ বাড়বে। যার প্রভাব বাজার দরে পড়বে। বেশি ফলন হওয়ায় এবার চাষিরা গত বছরের তুলনায় কম দাম পাচ্ছেন। এতে চাষিদের অসুবিধা হবে।
শনিবার থেকে হিমঘরে যে আলু মজুত হচ্ছে কেজিতে তার দাম পড়ছে মোটামুটি ১০-১১ টাকা। ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চাষিরা এখন মাঠে কেজিতে ৯-১০ টাকা দাম পাচ্ছেন। সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম সংগ্রহ মূল্য ৮ টাকার থেকে বেশি দাম এখনও চাষিরা পাচ্ছেন। এই দাম থাকলে সরকারের কাছে চাষিদের আলু বিক্রি করার আগ্রহ কম থাকবে। আগামী দিনে খোলাবাজারে দাম কমলে তবেই চাষিরা সরকারের কাছে আলু বিক্রি করতে আগ্রহী হবেন।
শনিবার থেকে হিমঘরে যে আলু মজুত হচ্ছে কেজিতে তার দাম পড়ছে মোটামুটি ১০-১১ টাকা। ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চাষিরা এখন মাঠে কেজিতে ৯-১০ টাকা দাম পাচ্ছেন। সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম সংগ্রহ মূল্য ৮ টাকার থেকে বেশি দাম এখনও চাষিরা পাচ্ছেন। এই দাম থাকলে সরকারের কাছে চাষিদের আলু বিক্রি করার আগ্রহ কম থাকবে। আগামী দিনে খোলাবাজারে দাম কমলে তবেই চাষিরা সরকারের কাছে আলু বিক্রি করতে আগ্রহী হবেন।



