নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: হিমঘরে আলু মজুতের বন্ড বিলিতে অগ্রাধিকার পাবেন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিরা। এজন্য আগামী ৪ মার্চ থেকে বিলি করা হবে টোকেন। যার ভিত্তিতেই মিলবে বন্ড। মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে প্রশাসনিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, ৭ মার্চ হিমঘরের দরজা খুলবে। টোকেন ও বন্ড বিলি সুষ্ঠুমতো করতে ব্লক প্রশাসন ও হিমঘর চত্বরে মোতায়েন করা হবে পুলিস। একইসঙ্গে খড়িবাড়ির আলু চাষিদের জন্য হিমঘরের কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বাধিক, প্রায় ২৯০০ মেট্রিক টন।
Advertisement
অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ) নির্মাল্য ঘরামি বলেন, আলুর টোকেন ও বন্ড বিলি সুষ্ঠুমতো করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এজন্য ব্লকস্তরে গঠন করা হয়েছে তিনজনের কমিটি। সংশ্লিষ্ট কমিটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষি চিহ্নিত করবে। এ ব্যাপারে প্রচারও চালানো হবে।
শিলিগুড়ি মহকুমায় আলু চাষের এলাকা হিসেবে চিহ্নিত খড়িবাড়ি ব্লক। জেলার একমাত্র হিমঘর সংশ্লিষ্ট ব্লকেই। এজন্য এদিন আলুর টোকেন ও বন্ড বিলি নিয়ে এই ব্লকের বিডিও অফিসে বৈঠক করে কৃষি বিপণন দপ্তর। বৈঠকে অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ) ছাড়াও চারটি ব্লকের বিডিও, ব্লকের সহকারী কৃষি আধিকারিক, কৃষি বিপণন দপ্তরের আধিকারিক, মহকুমা পরিষদের কৃষি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ আইনুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসন সূত্রে খবর, আগামী ৭ মার্চ ওই হিমঘর চালু হবে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতো ওই হিমঘরে ৩০ শতাংশ জায়গা ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিদের জন্য সংরক্ষিত করা হয়েছে। এজন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিদের মধ্যে ৪ থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত টোকেন বিলি করা হবে। ৫ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত সেই টোকেনের ভিত্তিতেই মিলবে হিমঘরে আলু মজুত করার বন্ড। টোকেন বিলি থেকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষি নির্ধারণ করতে ব্লকস্তরে গঠন করা হয়েছে তিনজনের কমিটি। তাতে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, বিডিও ও ব্লক কৃষি আধিকারিক রয়েছেন।
খড়িবাড়ির সহকারী কৃষি আধিকারিক ঠাকুরদাস কার্জি বলেন, নিয়ম অনুসারে তিন বিঘা পর্যন্ত যাঁদের জমি আছে, তাঁরা ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষি। কৃষকবন্ধু প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকা, জমির নথি, কেসিসি প্রভৃতি দেখেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষি চিহ্নিত করা হবে।
একইসঙ্গে হিমঘরে আলু মজুতের ব্লক ভিত্তিক কোটাও নির্ধারণ করা হয়েছে এদিনের বৈঠকে। প্রশাসন সূত্রের খবর, ওই হিমঘরে আলু মজুত করার চেম্বারের সংখ্যা দু’টি। তাতে মজুত করা যেতে পারে ১৬ হাজার ৭৭ মেট্রিক টন আলু। যারমধ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিদের জন্য ৩০ শতাংশ অর্থাৎ, প্রায় ৪৮২৩ মেট্রিক টন সংরক্ষিত থাকবে। এরমধ্যে খড়িবাড়ি ব্লকের জন্য প্রায় ২৯০০, ফাঁসিদেওয়ার জন্য ১৫০০ এবং নকশালবাড়ির জন্য ৪৮২ মেট্রিক টন জায়গা রাখা হবে।
শিলিগুড়ি মহকুমায় আলু চাষের এলাকা হিসেবে চিহ্নিত খড়িবাড়ি ব্লক। জেলার একমাত্র হিমঘর সংশ্লিষ্ট ব্লকেই। এজন্য এদিন আলুর টোকেন ও বন্ড বিলি নিয়ে এই ব্লকের বিডিও অফিসে বৈঠক করে কৃষি বিপণন দপ্তর। বৈঠকে অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ) ছাড়াও চারটি ব্লকের বিডিও, ব্লকের সহকারী কৃষি আধিকারিক, কৃষি বিপণন দপ্তরের আধিকারিক, মহকুমা পরিষদের কৃষি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ আইনুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসন সূত্রে খবর, আগামী ৭ মার্চ ওই হিমঘর চালু হবে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতো ওই হিমঘরে ৩০ শতাংশ জায়গা ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিদের জন্য সংরক্ষিত করা হয়েছে। এজন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিদের মধ্যে ৪ থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত টোকেন বিলি করা হবে। ৫ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত সেই টোকেনের ভিত্তিতেই মিলবে হিমঘরে আলু মজুত করার বন্ড। টোকেন বিলি থেকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষি নির্ধারণ করতে ব্লকস্তরে গঠন করা হয়েছে তিনজনের কমিটি। তাতে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, বিডিও ও ব্লক কৃষি আধিকারিক রয়েছেন।
খড়িবাড়ির সহকারী কৃষি আধিকারিক ঠাকুরদাস কার্জি বলেন, নিয়ম অনুসারে তিন বিঘা পর্যন্ত যাঁদের জমি আছে, তাঁরা ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষি। কৃষকবন্ধু প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকা, জমির নথি, কেসিসি প্রভৃতি দেখেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষি চিহ্নিত করা হবে।
একইসঙ্গে হিমঘরে আলু মজুতের ব্লক ভিত্তিক কোটাও নির্ধারণ করা হয়েছে এদিনের বৈঠকে। প্রশাসন সূত্রের খবর, ওই হিমঘরে আলু মজুত করার চেম্বারের সংখ্যা দু’টি। তাতে মজুত করা যেতে পারে ১৬ হাজার ৭৭ মেট্রিক টন আলু। যারমধ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিদের জন্য ৩০ শতাংশ অর্থাৎ, প্রায় ৪৮২৩ মেট্রিক টন সংরক্ষিত থাকবে। এরমধ্যে খড়িবাড়ি ব্লকের জন্য প্রায় ২৯০০, ফাঁসিদেওয়ার জন্য ১৫০০ এবং নকশালবাড়ির জন্য ৪৮২ মেট্রিক টন জায়গা রাখা হবে।



