নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের আলু রাখার জন্য হিমঘরে ৩০ শতাংশ জায়গার ব্যবস্থা করেছে রাজ্য। বৃহস্পতিবার হুগলির জেলাশাসক মুক্তা আর্য এব্যাপারে সর্ব শিক্ষা মিশনের কনফারেন্স হলে একটি প্রশাসনিক বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে ছিলেন হুগলি জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মদনমোহন কোলে, অতিরিক্ত জেলাশাসক(উন্নয়ন) অমিতেন্দু পাল সহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং কৃষি, কৃষি বিপণন দপ্তরের আধিকারিকরা। এছাড়া ভার্চুয়াল মাধ্যমেও অনেকে ছিলেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১ মার্চ থেকে আরামবাগ মহকুমা সহ জেলায় হিমঘর খুলবে। হিমঘর খুললেই সেখানে আলু রাখতে তোড়জোড় শুরু হবে। এবার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের জন্য হিমঘরে ৩০ শতাংশ জায়গা বরাদ্দ করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য। আগামী ২০ মার্চ পর্যন্ত সেই সুযোগ পাবেন চাষিরা। তাই হিমঘরে চাষিদের জন্য যাতে ওই জায়গা বরাদ্দ নিশ্চিত হয় তার নির্দেশ দেয় জেলা প্রশাসন। এক আধিকারিক বলেন, হিমঘরে সংশ্লিষ্ট ৩০ শতাংশ জায়গার মধ্যে চাষিরা সর্বোচ্চ ৩৫ কুইন্টাল অর্থাৎ ৭০ প্যাকেট আলু রাখতে পারবেন। সেই জন্য চাষিদের কিষান ক্রেডিট কার্ড বা কৃষক বন্ধু, চলতি বছরের বাংলা শস্য বিমা যোজনার স্লিপ দেখাতে হবে। পুরো বিষয়টির উপর নজরদারি করবেন বিডিও সহ কৃষি আধিকারিকরা। কৃষি কর্মাধ্যক্ষ বলেন, রাজ্য সরকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের সঙ্গে রয়েছে। তাই চলতি মরশুমে যাতে কম দামে চাষিদের আলু বিক্রি করে দিতে না হয়, সেই জন্য হিমঘরে ৩০ শতাংশ জায়গা নিশ্চিত করা হয়েছে। চাষিদের স্বার্থে এই সুবিধা যাতে সব হিমঘর থেকে কৃষকরা পান পঞ্চায়েতের প্রধানরাও তা দেখবেন। হুগলি জেলা হিমঘর মালিক সমিতির সদস্য স্বপন পাঁজা বলেন, সরকারের নির্দেশমতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসন চাষিদের যে তালিকা দেবে, তা মেনে হিমঘরে ৩০ শতাংশ জায়গা রাখা হবে।



