সংবাদদাতা, বালুরঘাট: বাংলাদেশ যাওয়ার মুখে অতিরিক্ত পণ্যবোঝাই লরি আটকে দিল পরিবহণ দপ্তর ও পুলিস। তারা যৌথভাবে শনিবার ওভারলোডেড গাড়ি আটক করে। জানা গিয়েছে, এদিন হিলি থানার সামনে সকাল থেকে অভিযান শুরু হতেই আতঙ্কে লরিচালকরা রপ্তানি কার্যত বন্ধ করে দেন। এনিয়ে হিলি সীমান্তে শোরগোল পড়ে যায়।
Advertisement
হিলি থানার আইসি সিদ্ধার্থ দাস জানান, কোনওভাবে ওভারলোডেড লরি নিয়ে যাওয়া যাবে না। এদিন পরিবহণ দপ্তর ও আমরা যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে ২০ টির বেশি পণ্যবাহী লরি আটক করেছি। যে সব লরি আন্ডারলোডেড ছিল তাদের কাগজ দেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওভারলোডেড লরির বিরুদ্ধে আগামীতেও অভিযান চালানো হবে।
প্রশাসনের কড়াকড়িতে ক্ষোভ ছড়িয়েছে চালকদের মধ্যে। লরিচালক উত্পল মণ্ডল বলেন, মালিক আমাদের যেমন করে গাড়ি লোড করে দেয়, আমরা সেভাবেই ওপারে যাই। এখন শুনছি, আমাদের গাড়ি নাকি ওভারলোডেড। হিলি এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি রাজেশ আগরওয়াল বলেন, আমি বাইরে আছি। এবিষয়ে কিছু জানা নেই। অ্যাসোসিয়েশন যুগ্ম সম্পাদক ধীরাজ অধিকারী বলেন, প্রশাসন তাদের মতো কাজ করবে। এতে আমাদের কোনও অসুবিধে নেই। কেউ ওভারলোড করলে সেটা পুলিস দেখবে। এখানে আমাদের কিছু বলার নেই।
দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে এখন ওপারে চাল রপ্তানি হচ্ছে। ভিনরাজ্য থেকে বড় বড় গাড়িতে করে চাল আনা হচ্ছে হিলিতে। তারপর সেই চাল নামিয়ে ১২ চাকার লরিতে লোড করা হচ্ছে। অভিযোগ, এক একটি লরিতে অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই করে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যে গাড়িতে ২০ টন পণ্য নিয়ে যাওয়ার কথা, সেই গাড়িতে ৫০ টন পণ্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে পরিবহণ খরচ কমার পাশাপাশি অতিরিক্ত মুনাফা হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই এদিন পরিবহণ দপ্তর ও পুলিস যৌথভাবে অভিযানে নামে।
প্রশাসনের কড়াকড়িতে ক্ষোভ ছড়িয়েছে চালকদের মধ্যে। লরিচালক উত্পল মণ্ডল বলেন, মালিক আমাদের যেমন করে গাড়ি লোড করে দেয়, আমরা সেভাবেই ওপারে যাই। এখন শুনছি, আমাদের গাড়ি নাকি ওভারলোডেড। হিলি এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি রাজেশ আগরওয়াল বলেন, আমি বাইরে আছি। এবিষয়ে কিছু জানা নেই। অ্যাসোসিয়েশন যুগ্ম সম্পাদক ধীরাজ অধিকারী বলেন, প্রশাসন তাদের মতো কাজ করবে। এতে আমাদের কোনও অসুবিধে নেই। কেউ ওভারলোড করলে সেটা পুলিস দেখবে। এখানে আমাদের কিছু বলার নেই।
দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে এখন ওপারে চাল রপ্তানি হচ্ছে। ভিনরাজ্য থেকে বড় বড় গাড়িতে করে চাল আনা হচ্ছে হিলিতে। তারপর সেই চাল নামিয়ে ১২ চাকার লরিতে লোড করা হচ্ছে। অভিযোগ, এক একটি লরিতে অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই করে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যে গাড়িতে ২০ টন পণ্য নিয়ে যাওয়ার কথা, সেই গাড়িতে ৫০ টন পণ্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে পরিবহণ খরচ কমার পাশাপাশি অতিরিক্ত মুনাফা হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই এদিন পরিবহণ দপ্তর ও পুলিস যৌথভাবে অভিযানে নামে।



