সংবাদদাতা, বালুরঘাট: ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বিড়ি শ্রমিকদের। এনিয়ে একাধিকবার তৃণমূল শ্রমিক সংগঠন আন্দোলন করলেও কোনও সুরাহা মেলেনি। এনিয়ে মঙ্গলবার বিড়ি মালিক ও ঠিকাদারদের নিয়ে বৈঠকের ডাক দিয়েছিল হিলি তৃণমূল শ্রমিক সংগঠন। কিন্তু বিড়ি মালিকরা এদিনের বৈঠকে অনুপস্থিত থাকায় তা ভেস্তে যায়। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনে ডাক দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে হিলি ব্লক আইএনটিটিইউসি।
Advertisement
অভিযোগ, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শ্রমিকদের হাজার বিড়ি প্রতি পারিশ্রমিক ১৭৪ টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও ১৩০-১৪০ টাকা দেওয়া হচ্ছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলিতে প্রচুর বিড়ি ফ্যাক্টরি রয়েছে। শুধুমাত্র হিলিতে বিড়ি শ্রমিকের কাজে ১০ হাজারের বেশি মহিলা নিযুক্ত রয়েছেন। তাঁদেরকে সরকারি নিয়ম মেনে মজুরি দেওয়া হচ্ছে না। কিছুদিন আগে এনিয়ে আইএনটিটিইউসি’র তরফে বিড়ি ফ্যাক্টরি ঘেরাও করা হয়। তারপর প্রশাসনের তরফে মালিক ও আইএনটিটিইউসি’র সদস্যদের বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেজন্য এদিন হিলির সন্ন্যাসীতলায় বৈঠক ডাকে আইএনটিটিইউসি। সেই বৈঠকে ৬০ জন বিড়ির ঠিকাদার উপস্থিত থাকলেও মালিকদের কেউ উপস্থিত হননি। ফলে বৈঠক ভেস্তে যায়।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা শ্রমদপ্তরের আধিকারিক বলদেব মণ্ডল বলেন, বিড়ি মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের তরফে বৈঠক হয়। ঠিকাদাররা আমাদের অন্তর্ভুক্ত নন। তাই আমরা তাঁদেরকে নিয়ে বৈঠক করিনি। সেজন্য তাদেরকে বৈঠক করতে বলা হয়েছে। বিড়ি শ্রমিকরা হাজার বিড়ি বাঁধলে ১৭৪ টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু তাঁরা নাকি সম্পূর্ণ টাকা পান না। ঠিকাদারদের আমরা সরকারি কাগজ করতে বলেছি। তাঁরা কেন এটা করছেন না এবিষয়ে আমাদের জানা নেই। আইএনটিটিইউসি’র হিলি ব্লক সভাপতি দুলাল স্বর্ণকার বলেন, কোনও ঠিকাদার কাগজ করছেন না। এবিষয়ে আমরা জানি না। আমাদের একটাই দাবি শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা দিতে হবে। এদিনের বৈঠকে মালিকরা কেউ উপস্থিত হননি। সমস্যার কোনও সুরাহা হচ্ছে না। আগামীতে আমরা এনিয়ে পথে নামব। বিড়ি মালিকদের পক্ষে অমূল্য রতন বিশ্বাস বলেন, আমরা ঠিকাদারদের ১৭৪ টাকা করে দিয়ে দিই। তাঁরা শ্রমিকদের কত দেন, সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। বিড়ি শ্রমিকদের এক ঠিকাদার রামকৃষ্ণ দাস বলেন, আমরা বিড়ি জমা করি। সেগুলি আবার ফ্যাক্টরিতে নিয়ে যাই। এতে আমাদের টাকা খরচ হয়। কিন্তু মালিকদের তরফে অতিরিক্ত কোনও টাকা দেওয়া হয় না।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা শ্রমদপ্তরের আধিকারিক বলদেব মণ্ডল বলেন, বিড়ি মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের তরফে বৈঠক হয়। ঠিকাদাররা আমাদের অন্তর্ভুক্ত নন। তাই আমরা তাঁদেরকে নিয়ে বৈঠক করিনি। সেজন্য তাদেরকে বৈঠক করতে বলা হয়েছে। বিড়ি শ্রমিকরা হাজার বিড়ি বাঁধলে ১৭৪ টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু তাঁরা নাকি সম্পূর্ণ টাকা পান না। ঠিকাদারদের আমরা সরকারি কাগজ করতে বলেছি। তাঁরা কেন এটা করছেন না এবিষয়ে আমাদের জানা নেই। আইএনটিটিইউসি’র হিলি ব্লক সভাপতি দুলাল স্বর্ণকার বলেন, কোনও ঠিকাদার কাগজ করছেন না। এবিষয়ে আমরা জানি না। আমাদের একটাই দাবি শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা দিতে হবে। এদিনের বৈঠকে মালিকরা কেউ উপস্থিত হননি। সমস্যার কোনও সুরাহা হচ্ছে না। আগামীতে আমরা এনিয়ে পথে নামব। বিড়ি মালিকদের পক্ষে অমূল্য রতন বিশ্বাস বলেন, আমরা ঠিকাদারদের ১৭৪ টাকা করে দিয়ে দিই। তাঁরা শ্রমিকদের কত দেন, সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। বিড়ি শ্রমিকদের এক ঠিকাদার রামকৃষ্ণ দাস বলেন, আমরা বিড়ি জমা করি। সেগুলি আবার ফ্যাক্টরিতে নিয়ে যাই। এতে আমাদের টাকা খরচ হয়। কিন্তু মালিকদের তরফে অতিরিক্ত কোনও টাকা দেওয়া হয় না।



