সংবাদদাতা, তপন: শেষ দিনের মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন তপনে অসুস্থ ৩ পরীক্ষার্থী। তাদের তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় তপন গ্রামীণ হাসপাতালে। হাসপাতালে থেকেই একজন পরীক্ষা দিতে পারলেও বাকি দুজন সম্পূর্ণ পরীক্ষা দিতে পারেনি। বৃহস্পতিবার ছিল মাধ্যমিকের ভৌত বিজ্ঞান পরীক্ষা। তপন ব্লকের করদহ উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎ দুই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি অ্যাম্বুলেন্সকে ডাকা হয় স্কুলে। যদিও ততক্ষণে প্রায় দুই ঘণ্টা পরীক্ষা দেওয়া হয়ে গিয়েছিল পরীক্ষার্থীদের। অ্যাম্বুলেন্স এলে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় তপন গ্রামীণ হাসপাতালে। জানা যায়, দুজন পরীক্ষা দেওয়ার পরিস্থিতিতে ছিল না। শেষ পর্যন্ত বাকি একঘণ্টা পরীক্ষা দিতে পারেনি দুই ছাত্রী।
Advertisement
বিদ্যালয় সূত্রে খবর, ওই দুই পরীক্ষার্থীর নাম লিপিকা রবিদাস ও বিউটি রায়। লিপিকা ভাইওর জালালিয়া হাইস্কুলের ছাত্রী। বিউটি আজমতপুর অঞ্চল হাইস্কুলের ছাত্রী। অন্যদিকে তপন গার্লস হাইস্কুলে পরীক্ষা চলাকালীন এক ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার নাম রানু ঘোষ। সে তিলন হাইস্কুলের ছাত্রী। শিক্ষকরা তড়িঘড়ি তাকেও তপন গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। হাসপাতালে গিয়ে অবস্থা স্থিতিশীল হলে সেখানে বসেই পরীক্ষা দেয় রানু।
করদহ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সুরজিৎ দাস বলেন, সম্ভবত টেনশন থেকে মাথা ঘোরা এবং শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতা বোধ করে দুই ছাত্রী। তাদের হাসপাতালে পাঠিয়ে অভিভাবকদের জানানো হয়।
মাধ্যমিক পরীক্ষার সেন্টার ইনচার্জ তথা দাড়ালহাট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক রথীরঞ্জন নাথ বলেন, আজ তপনে তিন ছাত্রী পরীক্ষা চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে দুজন পরীক্ষা দেওয়ার অবস্থায় ছিল না বলে পুরো তিনঘণ্টা পরীক্ষা দিতে পারেনি। একজন হাসপাতালে বসেই পরীক্ষা দিয়েছে।
করদহ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সুরজিৎ দাস বলেন, সম্ভবত টেনশন থেকে মাথা ঘোরা এবং শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতা বোধ করে দুই ছাত্রী। তাদের হাসপাতালে পাঠিয়ে অভিভাবকদের জানানো হয়।
মাধ্যমিক পরীক্ষার সেন্টার ইনচার্জ তথা দাড়ালহাট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক রথীরঞ্জন নাথ বলেন, আজ তপনে তিন ছাত্রী পরীক্ষা চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে দুজন পরীক্ষা দেওয়ার অবস্থায় ছিল না বলে পুরো তিনঘণ্টা পরীক্ষা দিতে পারেনি। একজন হাসপাতালে বসেই পরীক্ষা দিয়েছে।



